আহলে বায়তে রাসূলের (দ.) প্রতি ভালবাসা ও আনুগত্য ছাড়া পরিপূর্ণ ঈমানদার হওয়া অসম্ভব-জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদে শাহাদাতে কারবালা মাহফিলের ১০ম দিবসে সৈয়দ সইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.)

জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদে শাহাদাতে কারবালা মাহফিলের
১০ম দিবসে সৈয়দ সইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.)
আহলে বায়তে রাসূলের (দ.) প্রতি ভালবাসা ও
আনুগত্য ছাড়া পরিপূর্ণ ঈমানদার হওয়া অসম্ভব
চট্টগ্রাম ঃ জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদে ২৮তম আš—র্জাতিক শাহাদাতে কারবালা মাহফিলের ১০ম দিবসে (১৪ নভেম্বর’১৩) সভাপতির বক্তব্যে মাইজভাÊার দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন আন্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাÊারীয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি, পীরে ত্বরীক্বত হযরত মাওলানা শাহ্সূফী সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী মাদ্দাজিল­ুহুল আলী বলেছেন, আহলে বায়তে রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াছাল­াম এর আত্মত্যাগ ও হযরত ইমাম হোসাইনের শাহাদাতের বিনিময়ে আজ বিশ্বের নানা প্রাšে— ইসলামের দীপ্তি ছড়িয়ে পড়েছে। দ্বীন-ইসলামের জন্য আহলে বায়তে রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াছাল­ামের নজিরবিহীন ত্যাগ ও কুরবানির কথা স্মরণ করা ঈমানের অনিবার্য দাবি। আহলে বায়তে রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াছাল­ামের প্রতি অকুন্ঠ ভালোবাসা ও শর্তহীন আনুগত্য ছাড়া কখনো পরিপূর্ণ ঈমানদার হওয়া যাবে না। তিনি বলেন, প্রিয় নবী সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াছাল­াম এর আওলাদ তথা বংশধররা দেশে দেশে ইসলামের বিজয় কেতন উড়াচ্ছেন। এজন্য আহলে বায়তে রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াছাল­াম ও আওলাদে রাসূলের সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াছাল­ামের প্রতি শ্রদ্ধা পোষণ, কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন ও তাঁদের প্রদর্শিত পথে জীবন গঠনে মুসলিম জনতাকে এগিয়ে আসতে হবে। শাহাদাতে কারবালা মাহফিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে মুসলমানদের মাঝে নবী-ওলীপ্রেম জাগ্রত এবং ঈমানী চেতনা শাণিত হচ্ছে বলে তিনি উলে­খ করেন। শাহাদাতে কারবালা মাহফিল পরিচালনা পর্ষদের উদ্যোগে দশম দিবসের মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী চিš—াবিদ-শিল্পপতি আল্হাজ্ব সূফি মুহাম্মদ মিজানুর রহমান। ¯^াগত বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম জমিয়তুল ফালাহ্ জাতীয় মসজিদের খতিব অধ্য¶ আল­ামা মুহাম্মদ জালাল উদ্দীন আল-কাদেরী মাদ্দাজিল­ুহুল আলী। মাহফিলে ইসলামী চিš—াবিদ আল্হাজ্ব সূফী মুহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, মহররম মাসে অনেক গুর“ত্বপূর্ণ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। আশুরা দিবসে কারবালা ময়দানে সত্য-মিথ্যার মধ্যে সংঘাতে চূড়াš—ভাবে দ্বীন ও সত্যের বিজয় সূচিত হয়েছে। কারবালার চেতনায় জেগে ওঠে দেশ ও সমাজে অন্যায় অবিচার, শোষণ-জুলুমের অবসানসহ সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের বির“দ্ধে র“খে দাঁড়াবে বলে তিনি উলে­খ করেন। অধ্য¶ আল­ামা জালাল উদ্দীন আল-কাদেরী বলেন, আহলে বায়তে রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াছাল­াম ও হযরত ইমাম হোসাইন রাদ্বিয়াল­াহু তা’য়ালা আনহু আমাদের ঈমানী চেতনা ও উজ্জীবনের প্রতীক। অব¶য়, অনৈতিকতা ও সামাজিক অনাচারের বির“দ্ধে প্রতিবাদী ও সোচ্চার হবার প্রেরণা জোগায় কারবালার ঘটনা। ভোগ-বিলাসের মত্ত থাকা নয়, দ্বীন ও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ ¯^ীকার করাই কারবালার শি¶া। মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন, ওয়াসা চেয়ারম্যান এ.কে.এম ফয়জুল­াহ, উপাধ্য¶ আল­ামা এ.কে.এম খায়র“ল­াহ, ডা. শেখ জয়নুল আবেদীন। বক্তব্য রাখেন জমিয়তুল ফালাহর পেশ ইমাম মাওলানা হাফেজ আহমদুল হক। মাহফিলে কুরআন মাজিদ থেকে তেলোওয়াত করেন বিশ্ববিখ্যাত ক্বারী শেখ আহমাদ বিন ইউসুফ আল-আজাহারী ও না’তে রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াছাল­াম পরিবেশন করেন ক্বারী মাওলানা তারেক আবেদীন। মাহফিল সঞ্চালনায় ছিলেন গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ এর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আল্হাজ্ব মুহাম্মদ আনোয়ার“ল হক ও আল্হাজ্ব আবুল মনসুর সিকদার। শাহাদাতে কারবালা মাহফিল পরিচালনা পরিষদ কর্মকর্তা-সদস্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিষদের জেনারেল সেক্রেটারি আল্হাজ্ব সৈয়দ মুহাম্মদ আবদুল লতিফ, এস এম সাইফুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, আল্হাজ্ব মুহাম্মদ আবদুল হাই মাসুম, আল্হাজ্ব দিলশাদ আহমদ, আল্হাজ্ব এ.এফ.এম মুহাম্মদুর রহমান, আল্হাজ্ব মুহাম্মদ খোরশেদুর রহমান, আল্হাজ্ব জাফর আহমদ সওদাগর, অধ্যাপক কামাল উদ্দিন আহমদ, ব্যাংকার হাফেজ মুহাম্মদ ছালামত উল­াহ, অধ্যাপক মুহাম্মদ অহিদুল আলম, মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ রো¯—ম আলী, মুহাম্মদ মাহবুবুল হক খান, আল্হাজ্ব কবির চৌধুরী, সাংবাদিক আইয়ুব আলী, আল্হাজ্ব মুহাম্মদ আবুল মনসুর সিকদার, আল্হাজ্ব মুহাম্মদ আবুল কালাম, মাওলানা জিয়াউল হক, মাওলানা শায়ে¯—া খান, আশেক রসূল খান বাবু, এস.এম ওসমান গণি, অধ্যাপক রফিকুল আলম হাসানী, হাজী আবুল কালাম, হাজী মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, মাহবুবুল আলম, সৈয়দ মুহাম্মদ সিরাজুদ্দৌলা, জি.এম শাহাদাত হোসাইন মানিক, মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, মাওলানা মুহাম্মদ সুলাইমান, মুহাম্মদ রেজাউল করিম, মুহাম্মদ ফরিদ মিয়া, মাওলানা তারেকুল ইসলাম, রেজাউল করিম বাবুল, মাওলানা কামাল উদ্দিন, আন্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাÊারীয়া চট্টগ্রাম দ¶িন জেলা সাধারণ সম্পাদক কাজী মুহাম্মদ শহীদুল­াহ মাইজভাÊারী। সালাত-সালাম পরিবেশন শেষে মুসলিম উম্মাহ্র কল্যাণ ও দেশবাসীর উপর শাšি—-আল­াহর রহমত কামনায় মুনাজাত পরিচালনা করেন মাইজভাÊার দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্সূফী সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী মাদ্দাজিল­ুহুল আলী মাহফিলে হাজারো দ্বীনদার জনতা অংশগ্রহণ করেন।

Posted in Uncategorized | Comments Off on আহলে বায়তে রাসূলের (দ.) প্রতি ভালবাসা ও আনুগত্য ছাড়া পরিপূর্ণ ঈমানদার হওয়া অসম্ভব-জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদে শাহাদাতে কারবালা মাহফিলের ১০ম দিবসে সৈয়দ সইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.)

কারবালার চেতনায় জেগে ওঠে সহিংসতা-জঙ্গিবাদ ও নৈরাজ্যের বির“দ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে-সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.)

ঢাকা বায়তুল মোকাররমে শাহাদাতে কারবালা মাহফিলে
হযরত সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.)
কারবালার চেতনায় জেগে ওঠে সহিংসতা-জঙ্গিবাদ
ও নৈরাজ্যের বির“দ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে
ইসলামের ন্যায়ভিত্তিক গণমুখী শাসন প্রতিষ্ঠার সপ¶ে আপসহীন
সংগ্রামে অবতীর্ণ হন ইমাম হোসাইন (রা.)ঃ ইফা ডিজি সামীম আফজাল
মুসলমানদের অš—রে নবীপ্রেম ও আহলে বায়তে রাসূলের (দ.) প্রতি
ভালোবাসা জাগ্রত করতে হবেঃ আল­ামা জালালুদ্দীন আল-কাদেরী
নূর-এ-রহমান প্রতিনিধি, ঢাকা ঃ শাহাদাতে কারবালা মাহফিল পরিচালনা পর্ষদ ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে গত ২৩ নভেম্বর’২০১৩ শনিবার বিকেলে ঢাকা বায়তুল মোকাররম মসজিদে আহলে বায়তে রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াছাল­াম স্মরণে শাহাদাতে কারবালা মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। শাহাদাতে কারবালা মাহফিল পরিচালনা পর্ষদ চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম জমিয়তুল ফালাহ্ জাতীয় মসজিদের খতিব অধ্য¶ আল­ামা মুহাম্মদ জালালুদ্দিন আল-কাদেরী এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন মাইজভাÊার দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন রাহ্বারে শরীয়ত ও ত্বরীকত হযরত শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী মাদ্দাজিল­ুহুল আলী। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল। মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হযরত শাহ্সূফী সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী বলেন, সমাজে মনুষ্য সৃষ্ট অন্যায়-মিথ্যা ও জুলুমতন্ত্র যখন মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে, তখনই ইসলামের ইনসাফভিত্তিক দর্শনকে সমুন্নত রাখতে মুসলমানদের জেগে উঠতে হয়। দ্বীন ও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ ¯^ীকার করাই শাহাদাতে কারবালার প্রকৃত শি¶া। কারবালার চেতনায় জেগে ওঠে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ ও সহিংস তৎপরতার বির“দ্ধে শাšি—পূর্ণ উপায়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহŸান জানান তিনি। মাহফিলে বিশেষ অতিথি ইফা ডিজি বলেন, দেশ ও সমাজে বিরাজিত সকল অন্যায়, জুলুম ও অমানবিক তৎপরতা প্রতিরোধে প্রতিবাদী ও সাহসী ভূমিকা রাখাই কারবালার শি¶া। আহলে বায়তে রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াছাল­াম ও ইমাম হোসাইন রাদ্বিয়াল­াহু তা’য়ালা আনহু ইয়াজিদি নিপীড়নমূলক-জুলুম নির্ভর শাসন মেনে না নিয়ে ইসলামের ন্যায়ভিত্তিক গণমুখী শাসন প্রতিষ্ঠার সপ¶ে আপসহীন সংগ্রামে অবতীর্ণ হন। তাই যুগে যুগে সত্যানুসন্ধিৎসু মুক্তি প্রত্যাশী মানুষের উজ্জীবন ও ঈমানী চেতনার প্রতীক হয়ে আছে কারবালার মর্মš—দ ঘটনা। তিনি বলেন, সারা বিশ্বে ও আমাদের প্রিয় ¯^দেশে আজ ইসলামের মোড়কে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ-হানাহানি-সহিংসতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। অথচ সন্ত্রাস নির্মূল করা ও শাšি—পূর্ণ মানবিক বিশ্ব সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই ইসলামের নির্দেশনা। সভাপতির বক্তব্যে অধ্য¶ আল­ামা মুহাম্মদ জালালুদ্দিন আল কাদেরী বলেন, চট্টগ্রাম জমিয়তুল ফালাহ্ জাতীয় মসজিদে ২৮ বছর ধরে ব্যাপক আয়োজনে শাহাদাতে কারবালা মাহফিল অনুষ্ঠানের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো, মুসলমানদের অš—রে নবীপ্রেম ও আহলে বায়তে রাসূলের সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াছাল­াম প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জাগ্রত করা। শাহাদাতে কারবালা মাহফিল চট্টগ্রাম ও ঢাকায় শানদারভাবে আয়োজনে সহযোগিতাকারী সরকার-গণমাধ্যমসহ সংশি­ষ্ট সকলের প্রতি তিনি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। মাহফিলে বিশেষ অতিথি ও আলোচক ছিলেন, ঢাকা বায়তুল মোকাররমের খতিব প্রফেসর আল­ামা মুহাম্মদ সালাউদ্দিন, ইসলামী চিš—াবিদ আলহাজ্ব সূফী মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, ঢাকা মশুরি খোলা দরবারের সাজ্জাদানশীন পীরে ত্বরীকত আল­ামা মুহাম্মদ আহসানুজ্জামান, বাংলাদেশ জমিয়তুল মোদার্রেছীনের মহাসচিব অধ্য¶ সাব্বির আহমদ মোমতাজি, প্রফেসর ইয়াকুব হোসাইন, গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর সভাপতি আলহাজ রহমত আলী, রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ঢাকা শাখা সেক্রেটারী আলহাজ সিরাজুল হক, মাওলানা মাসউদ হোসেন আল-কাদেরী, মুনাজেরে আহলে সুন্নত হযরতুল আল­ামা নূর“ল ইসলাম জামালপুরী, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আল­ামা মুহাম্মদ নূর“ল ইসলাম ফার“কী, ঢাকা কাদেরিয়া তৈয়বিয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্য¶ আল­ামা হাফেজ কাজী আবদুল আলিম রেজভী, উপাধ্য¶ আল­ামা আবুল কাশেম মুহাম্মদ ফজলুল হক, ফরিদগঞ্জ আলিয়া মাদ্রাসার অধ্য¶ আল­ামা ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, অধ্য¶ আল­ামা আবু জাফর মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়ার মুফাস্সির আল­ামা মুহাম্মদ বখতিয়ার উদ্দিন, আল­ামা মোশাররফ হোসাইন হেলালী, মাওলানা র“হুল আমিন ভূঁইয়া চাঁদপুরী, প্রমুখ। বিশেষ অতিথি খতিব আল­ামা সালাহ উদ্দিন বলেন, নবীপ্রেম ও আহলে বায়তে রাসূলের সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াছাল­ামের প্রতি অকুন্ঠ মুহাব্বত অš—রে ধারণা করে ঈমান আক্বিদা ও আমলকে মজবুত করতে হবে। আলহাজ্ব সূফী মিজানুর রহমান বলেন, আহলে বায়তে রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াছাল­াম আমাদের ঈমানি চেতনার প্রতীক। দুনিয়া ও আখিরাতে নাজাত পেতে হলে আহলে বায়তে রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াছাল­ামের প্রদর্শিত পথে জীবন পরিচালনায় ব্রতী হতে হবে। পরে সালাত সালাম পরিবেশন শেষে দেশ ও জাতির ওপর আল­াহর রহমত কামনায় মুনাজাত করা হয়। হাজারো দ্বীনদার নবী ওলীপ্রেমী জনতা শাহাদাতে কারবালা মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।

Posted in Uncategorized | Comments Off on কারবালার চেতনায় জেগে ওঠে সহিংসতা-জঙ্গিবাদ ও নৈরাজ্যের বির“দ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে-সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.)

সর্বমানবতার কল্যাণ সাধনই আল­াহর ওলীদের জীবন দর্শন-গাউছুল আযম বাবাভাÊারী (ক.)’র ১৫১ তম খোশরোজ শরীফে সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.)

সর্বমানবতার কল্যাণ সাধনই আল­াহর ওলীদের জীবন দর্শন-গাউছুল আযম বাবাভাÊারী (ক.)’র ১৫১ তম খোশরোজ
শরীফে সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.)

ডেস্ক ঃ ত্বরীকায়ে মাইজভাÊারীয়ার পূর্ণতাদানকারী গাউছুল আযম হযরত সৈয়দ গোলামুর রহমান বাবাভাÊারী কাদ্দাছাল­াহু ছিররাহুল আজিজের ১৫১তম খোশরোজ শরীফ ১৪ অক্টোবর’২০১৩, সোমবার দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। চট্টগ্রাম ফটিকছড়ি মাইজভাÊার দরবার শরীফে হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাÊারী কাদ্দাছাল­াহু ছিররাহুল আজিজ ট্রাস্ট, আন্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাÊারীয়া ও মইনীয়া যুব ফোরামের উদ্যোগে খোশরোজ শরীফের কর্মসূচিতে ছিল- খতমে কুরআন, খতমে গাউছিয়া, হযরতের জীবনী আলোচনা, জিকির, সেমা মাহফিল ও সালাত-সালাম শেষে মুনাজাত। খোশরোজ শরীফ মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন আওলাদে রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াছাল­াম মাইজভাÊার দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন হযরত শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী মাদ্দাজিল­ুহুল আলী। তিনি বলেন, আল­াহর ওলীগণ সর্ব মানবতার জন্য আল­াহর বড় কর“ণা ও রহমত¯^রূপ। মানুষের সর্ববিধ কল্যাণ সাধন, বিপদ মুক্তি ও নেক মকসুদ পূরণের ¶েত্রে আউলিয়ায়ে কেরামের উন্মুক্ত সাহায্যই অধিক ফলপ্রসূ। তিনি বলেন, গাউছুল আযম বাবাভাÊারী কাদ্দাছাল­াহু ছিররাহুল আজিজ অসীম রেয়াজত তথা আধ্যাত্মিক সাধনার সোপান পেরিয়ে উঁচু ¯—রের ওলীর মর্যাদাপ্রাপ্ত হন। মুক্তি প্রত্যাশী সমস্যাগ্র¯— মানুষের কল্যাণ সাধনই ছিল তাঁর জীবনব্যাপী সাধনা। সর্বমানবতার কল্যাণ করাই আল­াহর ওলীদের বৈশিষ্ট্য ও জীবন দর্শন বলে তিনি উলে­খ করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন- শাহ্জাদা আলহাজ্ব হযরত সৈয়দ মেহবুব-এ-মইনুদ্দীন মাদ্দাজিল­ুহুল আলী, শাহ্জাদা আলহাজ্ব হযরত সৈয়দ মাশুক-এ-মইনুদ্দীন মাদ্দাজিল­ুহুল আলী, শাহ্জাদা আলহাজ্ব হযরত সৈয়দ হাসনাইন-এ-মইনুদ্দীন আল্-হাসানী মাদ্দাজিল­ুহুল আলী। আলোচনার অংশ নেন- আন্জুমান কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক খলিফা আলহাজ্ব শাহ মুহাম্মদ আলমগীর খান, কেন্দ্রীয় আন্জুমান সহ-সভাপতি আলহাজ্ব কবির চৌধুরী, হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাÊারী ট্রাস্টের সচিব এ্যাডভোকেট কাজী মহসীন চৌধুরী, আন্জুমান কেন্দ্রীয় সহ ¯ে^চ্ছাসেবক সম্পাদক ওয়াহেদুল কবির চৌধুরী, অধ্য¶ মাওলানা গোলাম মুহাম্মদ খান সিরাজী, মাওলানা সালেহ সুফিয়ান ফরহাদাবাদী, মাওলানা বাকের আনছারী, খলিফা মাওলানা র“হুল আমিন ভূঁইয়া। উপস্থিত ছিলেন- চট্টগ্রাম মহানগর আন্জুমান সভাপতি খলিফা বোরহান উদ্দীন মাইজভাÊারী, সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট্য ব্যাংকার ইউছুফ রেজা মিন্টু মাইজভাÊারী, খলিফা আবদুল হামিদ, দ¶িণ জেলা সাধারণ সম্পাদক কাজী মুহাম্মদ শহিদুল­াহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাহের আলম, খলিফা মুহাম্মদ নাজিমুদ্দৌলা, হাফেজ কবির হোসেন, খলিফা মুহাম্মদ আজিমুদ্দীন প্রমুখ। পরে সালাত সালাম শেষে দেশ ও বিশ্ববাসীর কল্যাণ কামনায় আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করেন হযরত সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী মাদ্দাজিল­ুহুল আলী।

Posted in Uncategorized | Comments Off on সর্বমানবতার কল্যাণ সাধনই আল­াহর ওলীদের জীবন দর্শন-গাউছুল আযম বাবাভাÊারী (ক.)’র ১৫১ তম খোশরোজ শরীফে সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.)

হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্ট পরিচালিত দ্বীনি ও সেবা মূলক প্রতিষ্ঠান সমূহ

হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্ট
পরিচালিত দ্বীনি ও সেবা মূলক প্রতিষ্ঠান সমূহ

১. মাইজভাণ্ডার রহমানিয়া মইনীয়া দরসে নেজামী মাদ্রাসা, মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফ, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম।
২. মাইজভাণ্ডার রহমানিয়া মইনীয়া হেফজখানা ও এতিমখানা, মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফ, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম।
৩. রহমানিয়া মইনীয়া এবতেদায়ী মাদ্রাসা কাঞ্চনপুর, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম।
৪. মেঘনাঘাট রহমানিয়া মইনীয়া সুন্নীয়া ক্যাডেট মাদ্রাসা, মেঘনাঘাট, গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ।
৫. মনোহরাবাদ রহমানিয়া মইনীয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা, হেফজখানা ও এতিমখানা, মনোহারাবাদ, নরসিংদী।
৬. ডিমডোল রহমানিয়া সুন্নীয়া আলিয়া মাদ্রাসা, বরুড়া, কুমিল্লা।
৭. শাহ্ আকবরিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা, হামিদগাঁও, পটিয়া, চট্টগ্রাম।
৮. মইনীয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, সাদুল্লাপুর, মতলব উত্তর, চাঁদপুর।
৯. রহমানিয়া মইনীয়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা, সাদুল্লাপুর, মতলব উত্তর, চাঁদপুর।
১০. গাউছিয়া মইনীয়া হাফেজিয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা, দিনারপুর, হবিগঞ্জ।
১১. মইনীয়া ত্রাণ ও পুনর্বাসন প্রকল্প, ৮২, শাহ্ আলী বাগ, মিরপুর-১, ঢাকা।
১২. মইনীয়া যাকাত ফান্ড-৮২, শাহ্ আলী বাগ, মিরপুর-১, ঢাকা।
১৩. আমতল ছিদ্দিক্বীয়া মঈনীয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা, পাইন্দং, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম।
১৪. সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী হেফজখানা ও এতিমখানা, আমতল, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম।
১৫. রহমানিয়া মইনীয়া ওয়াজদিয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা, ভেনুপা, ভেদেরগঞ্জ, শরীয়তপুর।
১৬. রহমানিয়া মইনীয়া সাইফিয়া সুন্নিয়া হেফ্জখানা ও এতিমখানা মাদ্রাসা, আরসিনগর, ভেদেরগঞ্জ, শরিয়তপুর।
১৭. গাউছিয়া মইনীয়া সাইফিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসা, দূর্গাপুর, উত্তর মতলব, চাঁদপুর।
১৮. গাউছিয়া মইনীয়া সাইফিয়া সুন্নীয়া আলিয়া মাদ্রাসা, মোল্লারহাট, শরীয়তপুর।
১৯. গোবিন্দপুর রহমানিয়া মইনীয়া জামে মসজিদ, বুড়িচং, কুমিল্লা।
২০. রহমানিয়া মইনীয়া সাইফিয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা, পুরান কাদবা, বরুড়া, কুমিল্লা।
২১. রহমানিয়া মইনীয়া সুন্নীয়া আলিয়া মাদ্রাসা, নবুরকান্দি, মতলব উত্তর, চাঁদপুর।
২২. রহমানিয়া মইনীয়া সুন্নীয়া ক্যাডেট মাদ্রাসা, খেজুরতলা পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
২৩. গাউছিয়া মইনীয়া সুন্নীয়া আলিয়া মাদ্রাসা, বরুড়া, কুমিল্লা।
২৪. রহমানিয়া মইনীয়া সাইফিয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা কমপ্লেক্স, নারায়নকুল, পূবাইল, গাজীপুর।
২৫. উম্মুল মুহিব্বীন ফাতিমা উইমেন্স ক্যাডেট মাদ্রাসা, গজারিয়া, মুন্সিগঞ্জ।
২৬. গাউছিয়া মইনীয়া সাইফিয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা, ভালুকশ্রী, আগৈলঝাড়া, বরিশাল।
২৭. গাউছিয়া মইনীয়া সাইফিয়া সুন্নীয়া মাদ্রাসা, নগরকান্দা, ফরিদপুর।
২৮. হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী হেফজখানা ও এতিমখানা কমপ্লেক্স, বুড়িচং, কুমিল্লা।
২৯. হযরত সৈয়দ আবুল বশর মাইজভাণ্ডারী হেফজখানা ও এতিমখানা দুর্গাপুর, মতলব, চাঁদপুর।
৩০. হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী হেফজখানা ও এতিমখানা, পুরান কাদবা, বরুড়া, কুমিল্লা।
৩১. গাউছিয়া মইনীয়া সুন্নিয়া হেফজখানা মাদ্রাসা, ঘাসিগাঁও, সুনামগঞ্জ।
৩২. হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী হাফেজিয়া মাদ্রাসা, হিয়াজোড়া, নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা।
৩৩. মইনীয়া দুঃস্থ কল্যাণ ও মেধাবৃত্তি প্রকল্প, ৮২, শাহ্ আলী বাগ, মিরপুর-১, ঢাকা।
৩৪. রাহমাতুল্লীল আলামীন মইনীয়া স্ন্নুীয়া মাদ্রাসা, নাইখাইন, পটিয়া, চট্টগ্রাম। (প্রক্রিয়াধীন)
৩৫. হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী হাফেজীয়া মাদ্রাসা, তরগাঁও, কাপাসিয়া, গাজীপুর।
৩৬. রহমানিয়া মইনীয়া এবাদতখানা- ২০৫/৪- বেগম রোকেয়া সরণী, কাফরুল, তালতলা, ঢাকা।
৩৭. রহমানিয়া মইনীয়া সাইফিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা- কাঁচকুড়া, দক্ষিণ খান, উত্তরা, ঢাকা।
৩৮. রহমানিয়া মইনীয়া সাইফিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা, পশ্চিম গোমদন্ডী, চট্টগ্রাম। (প্রক্রিয়াধীন)

Posted in Uncategorized | Comments Off on হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্ট পরিচালিত দ্বীনি ও সেবা মূলক প্রতিষ্ঠান সমূহ

শাহাদাতে কারবালা মাহফিলে হযরত সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আলহাসানী- বিপদে ধৈর্যধারণ, আল্লাহ ও রাসূলের (দ.) ওপর পূর্ণ ভরসা রাখাই শাহাদাতে কারবালার শিক্ষা

শাহাদাতে কারবালা মাহফিলে হযরত সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আলহাসানী-
বিপদে ধৈর্যধারণ, আল্লাহ ও রাসূলের (দ.) ওপর পূর্ণ ভরসা রাখাই শাহাদাতে কারবালার শিক্ষা

মাইজভাণ্ডার দরবার শরিফের সাজ্জাদানশীন আওলাদে রাসূল (দ.) শাহসূফি মাওলানা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আলহাসানী (ম.জি.আ) বলেছেন, কঠিন বিপদে ধৈর্যধারণ এবং আল্লাহ ও রাসূলের (দ.) ওপর পূর্ণ ভরসা রেখে দ্বীন ও সত্যের ওপর সুদৃঢ় থাকার শিক্ষা পাই আমরা কারবালার মর্মন্তুদ ঘটনা থেকে। ইমাম হোসাইন (রা:) ও আহলে বায়তে রাসূল (দ.) নিজেদের মূল্যবান জীবন উৎসর্গীত করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে এটাই শিক্ষা দিয়ে গেছেন যে, কঠিন বিপদ মোকাবিলা করেই সর্বাবস্থায় দ্বীন ও ইসলামের ওপর সুদৃঢ় থাকতে হবে। তিনি বলেন, মুসলিম দেশগুলোতে আজও কারবালার ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে। সর্বত্র হানাহানি-সংঘাতের কারণে শান্তিপ্রিয় মানুষ আজ উদ্বিগ্ন ও উৎকণ্ঠিত। এই দুঃসহ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে শাশ্বত মুক্তির পথ আহলে সুন্নাত ওয়াল জমা’আতের ওপর প্রতিষ্ঠিত থাকতে হবে। সূফিবাদী মাইজভাণ্ডারী দর্শন ও সুন্নিয়তে বিশ্বাসীরা সংঘাত-হানাহানি থেকে দূরে থেকে ইসলামের ন্যায়ভিত্তিক উদারবাদী আদর্শকে সমুন্নত রেখেছে বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন। আনজুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া ঢাকা বাবুবাজার শাখার উদ্যোগে আরমানি টোলা কলেজ মাঠে আজ ৩ ডিসেম্বর আয়োজিত শাহাদাতে কারবালা মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হযরত সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আলহাসানী এ কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন খলিফা হাজী মুহাম্মদ আফসার উদ্দিন। শাহাদাতে কারবালার তাৎপর্য নিয়ে মাহফিলে আলোচনায় অংশ নেন-মাওলানা নূরুল ইসলাম জামালপুরী, মাওলানা মুফতি বাকি বিল্লাহ আল আযহারী, মাওলানা রুহুল আমিন ভুইয়া চাঁদপুরী, মাওলানা খাজা বাহাউদ্দিন, খলিফা মুহাম্মদ শাহজাহান রামপুরী, খলিফা নেসার আহমদ, খলিফা মুহাম্মদ মনির হোসেন, মুহাম্মদ লিটন মিয়া, খলিফা মুহাম্মদ কামরুল হাসান, খলিফা মুহাম্মদ ফিরোজ মিয়া প্রমুখ। সালাত সালাম শেষে বিশ্বশান্তি ও অশান্তি-অরাজকতা থেকে পরিত্রাণে আল্লাহর রহমত কামনায় মুনাজাত পরিচালনা করেন শাহসূফি হযরত সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আলহাসানী (ম.জি.আ)। বহু দ্বীনদার সুন্নি জনতা মাহফিলে অংশগ্রহণ করেন।

Posted in Uncategorized | Comments Off on শাহাদাতে কারবালা মাহফিলে হযরত সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আলহাসানী- বিপদে ধৈর্যধারণ, আল্লাহ ও রাসূলের (দ.) ওপর পূর্ণ ভরসা রাখাই শাহাদাতে কারবালার শিক্ষা

মানুষের দুর্দশা লাঘবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে-সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভা-ারী

মানুষের দুর্দশা লাঘবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে-সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভা-ারী

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রাম মাইজভা-ার দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন শাহসূফি মাওলানা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল-হাসানী (ম.জি.আ) বলেছেন, নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের অভাব-অভিযোগ ও দুঃখ-দুর্দশা দূর করতে রাষ্ট্র নেতৃত্ব ও রাজনীতিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখাই শাহাদাতে কারবালার অন্তর্নিহিত শিক্ষা। ধিকৃত ইয়াজিদ অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় বসেই ইসলামী বিধি-বিধানের বিকৃতি ঘটিয়ে জনগণের ওপর নির্যাতন ও জুলুম চাপিয়ে দেয়। আর অধিকারহারা নির্যাতিত মানুষের পক্ষে আপসহীন সংগ্রামে অবতীর্ণ হন আহলে বায়তে রাসূল (দ.) ও ইমাম হোসাইন (রা.)। তিনি বলেন, দেশ ও সমাজে অন্যায়, অপরাধ প্রবণতা, জননিপীড়ন ও অন্যায়ের শাসন মাথাচাড়া দিয়ে উঠলে তার বিরুদ্ধে শান্তিকামী মানুষকে প্রতিবাদী সোচ্চার ভূমিকা পালন করে যাওয়াই শাহাদাতে কারবালার প্রকৃত শিক্ষা।
গতকাল সোমবার কর্ণফুলী শিকলবাহাস্থ এজে চৌধুরী কলেজ ময়দানে কাদেরিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত শাহাদাতে কারবালা মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হযরত সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল-হাসানী একথা বলেন। মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা মুফতি ফরিদুল আলম রিজভি। বিশেষ অতিথি ছিলেন পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুহাম্মদ ইদরিস মিয়া, মাওলানা ইয়াসিন আনসারী আল মাদানী। বিশেষ বক্তা ছিলেন মাওলানা নূরুল ইসলাম হেলালী, মাওলানা ওসমান গণি আশরাফী, এসএম সালেহ্, আনজুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভা-ারীয়া দক্ষিণ জেলার সাধারণ সম্পাদক কাজী মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, মাওলানা নিজাম উদ্দিন আশরাফী প্রমুখ।

Posted in Uncategorized | Comments Off on মানুষের দুর্দশা লাঘবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে-সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভা-ারী

কোরআন ও সুন্নাহের বিধান মেনে চলতে হবে -সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী।

বেলায়েতের যুগে সঠিক আওলাদে রাসুলদের কথা মেনে চলা প্রত্যেক মুসলামানদের জন্য কর্তব্য। আওলাদে রাসুলদের সকল আমল আকিদা সঠিকভাবে পালন করলে ইহকাল ও পরকালে শান্তি লাভ করা যায়। তিনি বলেন রাসূল (সঃ) এর পথ অনুসরণ করে কোরআন ও সুন্নাহের বিধান মেনে চলতে হবে। গত বুধবার রাতে মতলব উত্তর উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামে মৃত সালাম উল্যাহ বেপারীর বাড়ীতে ওয়াজ ও দোয়ার মাহ্ফিল ও গাউছিয়া মঈনীয়া সাইদিয়া সুন্নীয়া হাফেজীয়া ও এতিমখানার মাদ্রাসা উদ্বোধন উপলক্ষে মাইজভান্ডার দরবার শরীফের গদ্দিনিশিন, আঞ্জুমানে রহমানিয়া মঈনীয়া মাইজভান্ডারীয়া কেন্দ্রীয় কমিটি চেয়ারম্যান, নবী বংশের ৩১তম বংশদর, আওলাদের রাসুল (সঃ) , মাদ্রাসার সভাপতি আলহাজ্ব সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল মাইজভান্ডারী, আল হাসানী ওয়াল হুসাইনী প্রধান অতিথির বক্তব্য একথা বলেন। তিনি আরও বলেন দূর্গাপুর গ্রামে গাউছিয়া মঈনীয়া সাইদিয়া সুন্নীয়া হাফেজিয়া ও এতিমখানা মাদ্রাসার উদ্বোধন করতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। উক্ত মাদ্রাসায় এলাকার গরীব ও এতিম শিশুরা দীনের শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে পরিপূর্ণ ইসলাম গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করবে। তাই এই মাদ্রাসায় সকলে আন্তরিক সহযোগীতা করবেন। প্রধান অতিথির সঙ্গে সফর সঙ্গী হিসেবে বিভিন্ন ওলামায়ে কেরাম কোরআন ও হাদিসের আলোকে মূল্যবান বয়ান রাখেন। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, খলিফায়ে আজম আব্দুর রাজ্জাক আল মাইজভান্ডারী। কোরআন ও সুন্নাহের আলোকে ওয়াজ করেন হযরত মাওলানা পীরজাদা আলহাজ্ব বাকি বিল্লাহ আজহারী ও আলহাজ্ব মাওলানা রুহুল আমিন ভূইয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাউছিয়া মঈনীয়া সাইদিয়া সুন্নীয়া হাফেজিয়া ও এতিমখানা মাদ্রাসার সহ-সভাপতি ডাঃ মুহাম্মদ আবু হানিফ মিয়াজী, হুমায়ূন কবির, সিরাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ নূরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক ফজলুল হক, সদস্য নুর ইসলাম, উপদেষ্টা আব্দুল খালেক মাষ্টার, জসিম উদ্দিন প্রধান, সমাজ সেবক সাইফুল ইসলাম খোকন, আবু সৈয়দ গোলাম রাব্বানী মামুন, ইউপি সদস্য বিল্লাল প্রধান, খলিফা শাহাদাৎ ভূইয়া আল মাইজভান্ডারী, আলমগীর হোসেন বেপারী আল মাইজভান্ডারী, বিল্লাল হোসেন শান্ত, হাসান ইমাম সালাম উল্যাহ, মানিক মিয়াজী, ইঞ্জিনিয়ার তাইজ উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার হারুন অর রশিদ প্রমূখ।

Posted in Uncategorized | Comments Off on কোরআন ও সুন্নাহের বিধান মেনে চলতে হবে -সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী।

গরিব অসহায় মানুষের সেবা করার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব-ফটিকছড়িতে ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান অনুষ্ঠানে সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.)

গরিব অসহায় মানুষের সেবা করার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব-ফটিকছড়িতে ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান অনুষ্ঠানে সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.)

৩০.০৮.২০১৩
হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী (ক.) ট্রাস্টের উদ্যোগে ফটিকছড়ি পাইন্দংয়ে গরিব অসহায় ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। ৩০ আগস্ট’১৩ ফটিকছড়ি পাইন্দং আমতল ছিদ্দিক্বীয়া মইনীয়া দাখিল মাদ্রাসা ও হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী হেফজখানা ও এতিমখানা কমপ্লেক্স প্রাঙ্গনে আয়োজিত মইনীয়া ফ্রি চিকিৎসা সেবা ক্যাম্পে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত নানা বয়সী ৬ শতাধিক দুস্থ-পীড়িত মানুষকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফ্রি চিকিৎসা সেবা উদ্বোধন করেন হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী (ক.) ট্রাস্টের ম্যানেজিং ট্রাস্টি ও মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন হযরত শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.)। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, মানব সেবাই সর্বোত্তম ইবাদত। গরিব দুখী অসহায় মানুষের সেবা করার মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভ সম্ভব। সমাজের বিত্তবান ক্ষমতাশীল লোকেরা চারপাশের গরীব জনগোষ্ঠীর দিকে সহানুভূতির হাত বাড়িয়ে দিলে গরিব অসহায় মানুষেরা দুঃখ-দুর্দশা থেকে বাঁচতে পারে। এতে তাদের জীবন যন্ত্রণা কিছুটা হলেও হালকা হতে পারে। সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী বলেন, আল্লাহর ওলীরা বিশেষতঃ মাইজভাণ্ডারী মহাত্মা সাধকগণ গরিব অসহায় মানুষের কল্যাণ সাধনের জন্য দিক নির্দেশনা প্রদান করে থাকেন। নিজেরাও সাধ্যমতো গরিবের সেবায় নিয়োজিত হন। তাই, ওলী বুযুর্গের দর্শনই হচ্ছে মানবসেবা ও জনকল্যাণ। হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী (ক.) ট্রাস্ট নানামুখী সেবামূলক কর্মসূচী গ্রহণ করে আল্লাহর ওলীদের মানবসেবার পথকে আগলে রেখেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন এবং তিনি রোগীদের সেবাদানকারী চিকিৎসকদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। ফ্রি চিকিৎসা সেবা ক্যাম্পে চিকিৎসা প্রদানে ছিলেন- ডাঃ শফিউল আযম হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ সেলো স্কট দিল্লী, ডাঃ এস. এ কিবরিয়া ডি.এ আইসিও এবং মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, ডাঃ জয়নাল আবেদিন ডি.ও চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ, ডাঃ আঞ্জুমান আরা ছবুর প্রসূতী ও স্ত্রীরোগ অভিজ্ঞ, ডাঃ তৌহিদুর রহমান (সোহেল) চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ, ডাঃ ফারজানা আক্তার সোনিয়া দন্ত রোগ বিশেষজ্ঞ, ডাঃ উম্মে হানী, ডাঃ রিমপি, ডাঃ মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম পাটোয়ারী, ডাঃ মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী (ক,)’র ট্রাস্টে উদ্যোগে বিনা মূল্যে ফ্রি চিকিৎসা সেবা’র অনুষ্ঠানে পরিচালনা সহযোগিতায় উপস্থিত ছিলেন- দক্ষিণ জেলা সাধারণ সম্পাদক কাজী শহিদুল্লাহ, মুহাম্মদ নাজিমদ্দৌলা, অধ্যক্ষ মাওলানা বাকের আনচারী, হাফেজ মুহাম্মদ কবির হোসেন মাইজভাণ্ডারী, ডাঃ আবুল বাশার তালুকদার, মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, মুহাম্মদ হুমায়ূন কবির (বিপ্লব), রমজান আলী কন্ট্রাক্টর, এ্যাডভোকেট নুসরাত আলম বাবর, মাওলানা নাইম উদ্দিন, মাওলানা সাইফুর রহমান, মাওলানা আমান উল্লাহ, মাওলানা আমিনুল ইসলাম, মাওলানা ছরওয়ার হোসেন, মাষ্টার মুহাম্মদ আজম বি.এইচ.সি, মাওলানা আব্দুল মালেক, মাষ্টার আনিছুর রহমান, মাষ্টার আতাউল গণি প্রমুখ।

Posted in Uncategorized | Comments Off on গরিব অসহায় মানুষের সেবা করার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্ভব-ফটিকছড়িতে ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদান অনুষ্ঠানে সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.)

বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় সূফী দর্শনের বিকল্প নেই — সৈয়দ সাইফুদ্দিন হাসানী

বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় সূফী দর্শনের বিকল্প নেই — সৈয়দ সাইফুদ্দিন হাসানী

ফটিকছড়ি মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের আধ্যাত্মিক ও সূফীতাত্ত্বিক
মণীষী আওলাদে রাসূল (দ.) হযরত শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ক.)’র দ্বিতীয় বার্ষিক ওরশ শরীফ দেশের দূর-দূরান্ত থেকে আগত লাখো ভক্ত জনতার অংশগ্রহণে এবং দেশ ও বিশ্ববাসীর শান্তি-কল্যাণ কামনায় আখেরী মুনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে। গতকাল শনিবার ওরশ শরীফের প্রধান দিবসে আয়োজিত মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন হযরত
শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.)। এ উপলক্ষে হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্- হাসানীর (ক.) রওজা শরীফে ভক্ত জনতা জিয়ারত, জিকির, কুরআন তেলাওয়াতসহ মিলাদ মাহফিলে শামিল হন। দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল রওজায় গিলাফ চড়ানো, মুর্শিদ কেবলার (ক.) জীবনদর্শনের ওপর আলোচনা, মিলাদ মাহফিল এবং জিকির, সালাত ও সালাম শেষে আখেরি মুনাজাত। মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে হযরত সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল হাসানী (ম.জি.আ.) বলেন, মাইজভাণ্ডার দরবার আল্লাহর ওলীদের পরশধন্য একটি আধ্যাত্মিক প্রাণকেন্দ্র। এখানকার ওলী- বুজুর্গগণ সর্বমানবতার কল্যাণ-শান্তি ও সমৃদ্ধির শ্রেষ্ঠতম ওসিলা। তিনি বলেন, ইসলামের আসল রূপ ও দর্শন হচ্ছে সূফীবাদ। মাইজভাণ্ডারী ত্বরীকা ও দর্শন ইসলামেরই নির্যাস মাত্র। যুগেযুগে সকল দেশে সূফীবাদী দর্শনের প্রচার-প্রসারে অতুলনীয় ভূমিকা রাখেন আউলিয়ায়ে কেরামগণ। অশান্ত-সংঘাত মুখর বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় আউলিয়া কেরামদের অনুসৃত সূফী দর্শনের বিকল্প নেই। মাহফিলে মুর্শিদ কেবলার (ক.) জীবন দর্শনের নানা দিক নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন আন্জুমান সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আলমগীর খান মাইজভাণ্ডারী, হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী ট্রাস্টের সচিব আলহাজ্ব মহসিন চৌধুরী, আন্জুমান কেন্দ্রীয় সহ- সভাপতি আলহাজ্ব কবির চৌধুরী, মাওলানা নুরুল ইসলাম জামালপুরী,
মাওলানা বাকি বিলাহ আযহারী, মাওলানা রুহুল আমিন ভূঁইয়া চাঁদপুরী, মাওলানা নজরুল ইসলাম ছাদেকপুরী, অধ্যক্ষ মাওলানা গোলাম মুহাম্মদ খান সিরাজী, অধ্যক্ষ মাওলানা আজিজুল হক কুতুবী, অধ্যক্ষ মাওলানা বাকের আনচারী, চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি আলহাজ্ব বোরহান উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ রেজা মিন্টু, দক্ষিণ জেলা সাধারণ সম্পাদক কাজী শহিদুল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাহের আলম, মুহাম্মদ আজিম উদ্দিন প্রমুখ। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন এনসিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব ফখরুল আনোয়ার, শাহজাদায়ে গাউছুল আযম আলহাজ্ব হযরত সৈয়দ মেহবুব- এ-মইনুদ্দীন আল্-হাসানী (ম.জি .আ.), শাহজাদায়ে গাউছুল আযম আলহাজ্ব হযরত সৈয়দ মাশুক-এ- মইনুদ্দীন আল্-হাসানী (ম.জি .আ.), শাহজাদায়ে গাউছুল আযম আলহাজ্ব হযরত সৈয়দ হাসনাইন-এ-মইনুদ্দীন আল্- হাসানী (ম.জি.আ.)। শেষে দেশ ও বিশ্ববাসীর কল্যাণ- সমৃদ্ধি এবং মুসলিম উম্মাহর ঐক্য-
সম্প্রীতি কামনা করে মুনাজাত পরিচালনা করেন হযরত সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.)। তবরুক বিতরণের মধ্য দিয়ে কর্মসূচির সমাপ

Posted in Uncategorized | Comments Off on বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় সূফী দর্শনের বিকল্প নেই — সৈয়দ সাইফুদ্দিন হাসানী

শতাব্দীর সূফী- হুজুরে গাউছুল ওয়ারা আল্লামা শাহ্সূফী সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভাণ্ডারী (কাঃ ছিঃ আঃ)-শাহ্ এস এম আক্তারুজ্জামান মাইজভান্ডারী

শতাব্দীর সূফী- গাউসুল ওয়ারা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ (কঃ)।
শাহ্ এস এম আক্তারুজ্জামান মাইজভান্ডারী

রাহমাতুল্লিল আলামীন আহমদে মুজতবা মুহাম্মদ মুস্তফা (সাঃ) এর ওফাতের মধ্য দিয়ে নবুয়তের ধারা বিলোপ হলেও তাঁর প্রবর্তিত ধর্মীয় দর্শন সাহাবায়ে কেরাম, তাবেয়ীন, তাবে-তাবেয়ীন, আওলাদে রাসুল গন সহ অলী আউলিয়াদের মাধ্যমে যুগে যুগে মানুষকে সত্যের দিশা দান করেছে। রাসুল পরবর্তী মহান অলী আউলিয়াগণই যুগ-সংস্কারক হিসেবে মানব জাতির জন্য আবির্ভূত হয়েছেন এবং হবেন। আল্লাহকে চিনতে হলে রাসূল (সাঃ)কে চিনতে হবে এবং রাসূল (সাঃ) কে চিনতে হলে অলী-আউলিয়াদেরকে চিনতে হবে। কারণ অলীগণ হচ্ছেন রাসূল করিম (সাঃ)এর জীবনাদর্শের প্রতিচ্ছবি এবং তাঁরাই স্রষ্ঠা ও সৃষ্ঠির মাঝে সেতু বন্ধনের প্রচেষ্ঠাকে সাধারনের মাঝে ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন পথ অবলম্বন করেন যা পরবর্তিতে ত্বরীকত হিসাবে প্রকাশ পায়। ধর্ম বিশ্বাসের গুরুত্বপূর্ন দিক হল তাসাউফ বা সূফীতত্ব যা শরীয়ত (বাহ্যিক) ও মারিফত (আভ্যন্তরীন) বিষয়াবলী নিয়ে একটা পূর্নাঙ্গ বিধান যা অনুকরন ও অনুশীলনের মাধ্যমেই পরিপূর্নতা লাভ করা যায়। পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহ থেকেই সূফীবাদের উৎপত্তি যা অলী আউলিয়া গনের ধ্যান সাধনার মাধ্যমে স্রষ্ঠার সান্নিধ্যের বিশেষ কৌশল যোগ হয়ে পরিপূর্নতা পেয়েছে।

বাংলাদেশের সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কৃতিতে গড়ে উঠা একমাত্র ত্বরীক্বায়ে মাইজভাণ্ডারীয়ার প্রবর্তক হলেন আওলাদে রাসুল (সাঃ) হযরত গাউসুল আযম সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (কঃ) এবং বিকাশক হলেন হযরত গাউসূল আযম সৈয়দ গোলামুর রহমান (বাবাভাণ্ডারী) (কঃ)। পরবর্তীতে সুন্নীয়ত ও ত্বরীকায়ে মাইজভাণ্ডারীয়ার দর্শন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দেন বাবাভাণ্ডারী কেবলার দ্বিতীয় পুত্র গাউসে জামান সৈয়দ আবুল বশর মাইজভাণ্ডারী (কঃ)’র তৃতীয় পুত্র জগতখ্যাত আধ্যাত্মিক সূফী সম্রাট বিশ্ব শান্তির দূত মানবতাবাদী প্রেমময়ী সংস্কারক গাউসুল ওয়ারা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী মাইজভান্ডারী (কঃ)।

সূফীবাদের পরম পর্যায়ে উন্নীত এই মহামনীষী মানবতাবাদ, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিও প্রেমের বানী সর্বত্র পেঁৗঁছে দিয়ে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় যে অগ্রনী ভূমিকা রেখেছেন তা আজ সর্বমহলে প্রশংশিত ও অনুকরনীয় দৃষ্ঠান্ত হয়ে রয়েছে। “প্রেমেই সৃষ্ঠি; প্রেমেই স্রষ্ঠাকে লাভ করা যায়” এই মহামূল্যবান বানীকে ধারন করেই পথ চলেছেন এই মহান সাধক যার কাছে ছিল না কোন জাত,ধর্মের বিচার,প্রেম বিলিয়েছেন সকলের মাঝে। প্রায়শঃই তিনি বলতেন- “আমার রাসুল(সাঃ) সৃষ্টি কুলের সকলের জন্য রহমত স্বরূপ জমিনে তশরীফ এনেছেন”,আমি তাঁর অনুসারী হয়ে কি করে বিশেষ কোন গোত্র বা কওমের জন্য কাজ করতে পারি। আমার কর্মে তো তাঁর আদর্শেরই প্রতিফলন থাকা উচিত। তিনি জাগতিক শিক্ষার পাশাপাশি ধর্মীয় ও আধ্যত্মিক শিক্ষায় যে প্রভূত উন্নতি লাভ করেছেন তার প্রতিফলন জীবনের সর্বত্র বিদ্যমান ছিল। তিনি যা করতেন বা বলতেন তা সকল কিছুই ছিল কল্যানমূখী কোরআন ও সূন্নাহ ভিত্তিক যার মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে তাঁর খিজিরী ও ইলমে লাদুনীর জ্ঞানের প্রভাব। আহলে বায়াতের পবিত্র রক্তের ধারায় আল্-হাসানী ও আল-হোসাইনী সিলসিলার মাধ্যমে যুগে যুগে আউলিয়া, গাউছ কুতুবগণ আবির্ভূত হয়েছেন এবং তাঁদের মাধ্যমে রাসূল (সাঃ)-এর প্রতিনিধিত্ব প্রবাহমান রয়েছে। ওলী আউলিয়াগণ হচ্ছেন রাসূল করিম (সাঃ) এর একান্ত কাছের প্রতিনিধি। তাঁরা বিভিন্ন পর্যায়ে কুতুবুল আকতাব, গাউছে জমান, মুুজাদ্দিদ,গাউসুল আজম বা গাউসুল ওয়ারা উপাধি লাভ করে স্রষ্টার পক্ষে রাসূল (সাঃ) এর তত্ত্বাবধানে সৃষ্ট জগতের নিয়ন্ত্রণ ও ত্রাণকর্তৃত্ব লাভ করেন। রাসূল (সাঃ) বলেন, “আমার উম্মতের মধ্যে এমন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন লোক আছে, যিনি জ্ঞানগরিমা ও হিম্মতে আমার গূণে গুণান্বিত”। ওলীগণ রাসূলে করিম (সাঃ) এর রূহানী ফয়েজের ধারক ও বাহকরূপে জগতের বিভিন্ন স্থানে অধিষ্ঠিত হয়ে সৃষ্টির শৃঙ্খলা বিধান করেন এবং বিপথগামী লোকদেরকে সৎপথ প্রদর্শন করেন। আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ, তিনি যাকে ইচ্ছা দান করেন। রাসূল (সাঃ) বলেন, “আমার উম্মতের মধ্যে জ্ঞানীগণ বনী ইসরাইল বংশের নবীগণের মত মর্যাদা প্রাপ্ত”। জীবনকে পরিপূর্নতা দানের জন্য স্রষ্ঠা ও সৃষ্ঠির সেতুবন্ধন তৈরীকারী অলী আউলিয়াদের সাহচার্য একান্ত অপরিহার্য ।

পার্থিব লোভ, কামনাহীন অতি সাধারন জীবন যাপনকারী আধ্যাত্মিক সাধক সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী (কঃ)’র মার্জিত ও প্রেমময় আচরণে মুগ্ধ হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের বহু অমুসলিম ব্যক্তিও তাঁর হাতে পবিত্র ইসলাম গ্রহণ করেছেন, নিয়েছেন ত্বরীক্বতের দীক্ষা। জাতিসংঘ সহ বিশ্বের বিভিন স্থানে আয়োজিত সম্মেলনে বিশ্ব শান্তি স্থাপনে তাঁর দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য প্রনিধানযোগ্য যেখানে তিনি সকলকেই রাসুল(সাঃ) এর মদীনা সনদকে অনুসরন করার মাধ্যমে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার উপায় উপস্থাপন করেন।২০০০ সালে তিনি জাতিসংঘ কর্তৃক আয়োজিত “দি মিলেনিয়াম ওয়ার্ল্ড সামিট অফ রিলিজিওন এন্ড স্পিরিচুয়াল লিডার্স-২০০০” সেমিনারে আর্ন্তজাতিক শান্তি রক্ষার সনদে সকলের সম্মতি ও যৌথ স্বাক্ষর প্রদানে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখেন যা সকলের কাছে প্রশংসনীয় হয়।বাংলাদেশ ও বহিঃবিশ্বের বিভিন্ন সংগঠন-সংস্থা থেকে তাঁর কর্মের স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯৭ সালে “ইন্টারন্যাশনাল এ্যাসোসিয়েশন অব সূফীজম” আযোজিত সূফী সিম্পোজিয়ামে “শায়খুল ইসলাম”, ২০০৫ সালে ধর্মীয় ক্ষেত্রে তাঁর অমূল্য অবদানের জন্য “দ্যা ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ ঘানা” এবং ইউ এস বেইসড ইউনিভার্সেল ইসলামিক সেন্টার “বিশ্ব শান্তির দূত” সহ বিভিন্ন উপাধিতে ভূষিত করে। ২০০৪ সালে সূফী মজলিস আযোজিত সম্মেলনে তাঁকে সর্বোওম সূফী সম্মাননা প্রদান করা হয়। উচ্চ শিক্ষিত এই সাধক বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই সার্বজনীন ত্বরীকায়ে মাইজভান্ডারীয়ার দর্শন ও সূন্নীয়তকে সমুন্নত রাখতে নিরলস শ্রম দিয়েছেন। বাংলাদেশে ও বহিঃবিশ্বে গড়েছেন অসংখ্য ধর্মচর্চ্চা কেন্দ্র (খানকা,মসজিদ),শিক্ষার প্রসারে মাদ্রাসা,স্কুল,এতিমখানা,হেফজখানা,কারিগরী প্রশিক্ষন কেন্দ্র,ইমাম প্রশিক্ষন কেন্দ্র,মইনীয়া ক্যালিওগ্রাফী প্রশিক্ষন কেন্দ্র সামাজিক সংগঠন হিসাবে আনজুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়া,মইনীয়া শিশু কিশোর মেলা,মইনীয়া দাতব্য চিকিৎসালয় সহ বহু প্রতিষ্ঠান। সকল ধর্মীয় অনুসারীদের নিয়ে গড়েছেন মানবতাবাদী আধ্যাত্মিক সংগঠন “আর্ন্তজাতিক সূফী ঐক্য সংহতি” সূফীজ। তিনিই সর্বপ্রথম রাজধানীতে জশনে জুলুস ইদ-এ মিলাদুন্নবীর আয়োজন করেন যা আজ সারা দেশব্যাপী রাসুল (সাঃ) এর তশরীফ আনয়নের দিন ১২ই রবিঊল আউয়ালে পালিত হয়। সমাজ বা রাষ্ট্রে কল্যানমূখী এমন কোন কাজ ছিলনা যেখানে তিনি তাঁকে সম্পৃক্ত করেননি।

জগতের পীর-মাশায়েখ আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্বরা ওফাত পরবর্তীকালেও যাতে তাঁদের পদ্বতিগত ধ্যান সাধনা, হিদায়াত কর্ম, ত্বরীক্বতের ছিলছিলা নিরবিচ্ছিন্নভাবে প্রবাহমান থাকে সেজন্য জীবদ্দশাতেই যোগ্য উত্তর সূরী রেখে যান।আওলিয়া-এ-কেরামগণের উত্তর সূরী খলীফা নির্বাচন বা স্থলাভিষিক্ত মনোনয়নের অন্যতম ধর্মীয় বিধান অনুসরনে রাহনুমায়ে শরীয়ত ও ত্বরিকত,ইমামে আহলে সুন্নাত, গাউছুল ওয়ারা হযরত শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল হোসাইনী (কঃ ছিঃ আঃ) ত্বরীক্বায়ে মাইজভাণ্ডারীয়ার ছিলছিলার ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে তাঁরই ওরশজাত আওলাদ শাহ্জাদা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভাণ্ডারী (মাঃ জিঃ আঃ) কে স্থলাভিষিক্ত করেন। তিনিও পিতার যোগ্যতম উত্তরসুরী হিসেবে অন্যান্য খলিফা আশেকান সহ দরবার-এ গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর প্রতিনিধিত্ব করে যাচ্ছেন। বিশাল প্রেমময়ী হৃদয়ের অধিকারী সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী আজ লক্ষ কোটি আশেকানের জিম্মাদারী হয়ে ত্বরিকত ও সুন্নীয়তের প্রচার প্রসারে দেশ বিদেশে যে অবদান রাখছেন তা প্রশংসনীয়।

অতি মানবীয় গুণে গুণান্বিত ত্বরীক্বায়ে মাইজভাণ্ডারীয়ার দিকপাল, নবী বংশের ৩০তম আওলাদ , শায়খুল ইসলাম, হিজরী পঞ্চদশ শতাব্দীর মুজাদ্দিদ, হুজুরে গাউছুল ওয়ারা আল্লামা শাহ্সূফী সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভাণ্ডারী (কাঃ ছিঃ আঃ) যিনি বাংলা ২৭ মাঘ,১৩৪৪ ইংরেজী ১০ ফেব্র“য়ারী ১৯৩৮ রোজ বৃহস্পতিবার এই ধরাধামে তশরীফ আনেন। পিতৃ ও মাতৃ কুল থেকে তিনি ইমাম হাসান (রাঃ) ও ইমাম হোসাইন (রাঃ) এর বংশীয় উত্তরসূরী। নিজ জন্মদাতা পিতা ও মুরশীদ কেবলা গাউসে জামান সৈয়দ আবুল বশর মাইজভান্ডারীর(কঃ) থেকে ১৯৬২ সালের ৫ এপ্রিল প্রাপ্ত খেলাফতের দায়িত্ব পালন শেষে বর্নাঢ্য সুন্নীয়ত ও ত্বরিকত জীবন শেষ করে বহু কারামতের অধিকারী এই মহাপূরুষ ২০১১ সালের ১৭ আগষ্ট,১৭ রমজান,বাংলা ২রা ভাদ্র ওফাত লাভ করেন। মানবতাবাদী এই যুগ সংস্কারকের আদর্শ ও কর্মকে ধারন করেই হোক আমাদের পথচলা। আমীন।
মোবাইলঃ০১৭১১৯৬০০৭০।

Posted in Uncategorized | Comments Off on শতাব্দীর সূফী- হুজুরে গাউছুল ওয়ারা আল্লামা শাহ্সূফী সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভাণ্ডারী (কাঃ ছিঃ আঃ)-শাহ্ এস এম আক্তারুজ্জামান মাইজভান্ডারী