অডিও

বাবা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্‌-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভান্ডারী (মাঃ জিঃ আঃ) এর পবিত্র দুরুদ, জিকির ও মোনাজাত অডিও/ বক্তব্য

Posted in Uncategorized, অডিও | Tagged , | Comments Off on অডিও

অনুষ্ঠান সমূহঃ

নিয়মিত উৎযাপিত অনুষ্ঠান সমূহঃ

১.     প্রতি  ইংরেজী মাসের ০১ তারিখ মুন্সীগঞ্জের বিনোদপুর খানকা শরীফে মাহফিল অনুষ্টিত হয়।

২.     প্রতি  ইংরেজী মাসের ০২ তারিখ কালীগঞ্জ, গাজীপুর খানকা শরীফে মাহফিল অনুষ্টিত হয়।

৩.     প্রতি  ইংরেজী মাসের ০৩,০৪,০৫ তারিখ ৮২, শাহ্‌ আলী বাগ, মিরপুর-১,ঢাকা কেন্দ্রীয় খানকা শরীফে মাহফিল অনুষ্টিত হয়।

৪.     প্রতি  ইংরেজী মাসের ০৭ তারিখ গাজীপুর জেলা (ধান গবেষনা ইনষ্টিটিউট এর সামনে) কেন্দ্রীয় খানকা শরীফে মাহফিল অনুষ্টিত হয়।

৫.     প্রতি  ইংরেজী মাসের ০৮ তারিখ কুমিল্লা জেলার গর্জনখোলা কেন্দ্রীয় খানকা শরীফে মাহফিল অনুষ্টিত হয়।

৬.     প্রতি  ইংরেজী মাসের ১০ তারিখ মাইজভান্ডার মনজিল, মকবুল সওদাগর লেন, কাপাসগোলা ,চট্রগ্রাম,কেন্দ্রীয় খানকা শরীফে মাহফিল অনুষ্টিত হয়।

৭.     প্রতি  ইংরেজী মাসের শেষ বৃহস্পতিবার  গাউছিয়া রহমান মঞ্জিল,মাইজভান্ডার দরবার শরীফ, ফটিকছড়ি চট্রগ্রামে মিলাদ মাহফিল অনুষ্টিত হয়।

৮.     প্রতি বৎসর ০১ লা রবিউল আউয়াল আনজুমানে রহমানিয়া মইনিয়া মাইজভান্ডারীয়ার নেতৃত্বে চট্রগ্রামে জসনে জুলুসে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (নবী করিম (দঃ) এর পবিত্র জন্ম দিবস) অনুষ্টিত হয়।

৯.     প্রতি বৎসর ১২ ই রবিউল আউয়াল আনজুমানে রহমানিয়া মইনিয়া মাইজভান্ডারীয়ার নেতৃত্বে রাজধানী ঢাকায় জসনে জুলুসে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (নবী করিম (দঃ) এর পবিত্র জন্ম দিবস) অনুষ্টিত হয়।

১০.    প্রতি বৎসর ২৭ শে রবিউল আউয়াল আনজুমানে রহমানিয়া মইনিয়া মাইজভান্ডারীয়ার নেতৃত্বে কুমিল্লা জেলা শহরে জসনে জুলুসে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (নবী করিম (দঃ) এর পবিত্র জন্ম দিবস) অনুষ্টিত হয়।

১১.     প্রতি বৎসর বাংলা ২৯ শে আন্বিন  ইংরেজী ১৪ই অক্টেবর গাউসুল আজম শাহ্‌ সূফী মাওলানা সৈয়দ গোলামুর রহমান (বাবা ভান্ডারী) রহঃ এর পবিত্র খোশরোজ শরীফ (জন্মদিন) মাইজভান্ডার দরবার শরীফ, ফটিকছড়ি চট্রগ্রামে অনুষ্টিত হয়।

১২.     প্রতি বৎসর বাংলা ৩০ শে অগ্রহায়ন  ইংরেজী ১৬ ই ডিসেম্বর গাউসে জামান শাহ্‌ সূফী মাওলানা সৈয়দ আবুল বশর  মাইজভান্ডারী রহঃ এর পবিত্র ওরশ মোবারক (ওফাত দিবস) মাইজভান্ডার দরবার শরীফ, ফটিকছড়ি চট্রগ্রামে অনুষ্টিত হয়।

১৩.    প্রতি বৎসর বাংলা ১০ ই মাঘ  ইংরেজী ২৩ শে জানুয়ারী গাউসুল আজম শাহ্‌ সূফী মাওলানা সৈয়দ আহমদউল্লাহ মাইজভান্ডারী (রহঃ) এর পবিত্র ওরশ মোবারক (ওফাত দিবস) মাইজভান্ডার দরবার শরীফ, ফটিকছড়ি চট্রগ্রামে অনুষ্টিত হয়।

১৪.     প্রতি বৎসর বাংলা ২৭ শে মাঘ  ইংরেজী ৯ ই ফেব্রুয়ারী গাউসুল আজম শাহ্‌ সূফী মাওলানা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্‌-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভান্ডারী (মাঃ জিঃ আঃ) এর পবিত্র খোশরোজ শরীফ (জন্মদিন) মাইজভান্ডার দরবার শরীফ, ফটিকছড়ি চট্রগ্রামে অনুষ্টিত হয়।

১৫.    প্রতি বৎসর বাংলা ২২ শে চৈত্র  ইংরেজী ০৫ই এপ্রিল গাউসুল আজম শাহ্‌ সূফী মাওলানা সৈয়দ গোলামুর রহমান (বাবা ভান্ডারী) রহঃ এর পবিত্র ওরশ শরীফ (ওফাত দিবস) মাইজভান্ডার দরবার শরীফ, ফটিকছড়ি চট্রগ্রামে অনুষ্টিত হয়।

Posted in Uncategorized | Tagged , | Comments Off on অনুষ্ঠান সমূহঃ

শাজরা-এ-গাউছিয়া মাইজভান্ডারীয়া

শাজরা-এ-গাউছিয়া মাইজভান্ডারীয়া

১.এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুল আম্বিয়া সাইয়্যেদুল আস্পিয়া হযরত আহমদ মুজতবা মুহম্মদ মোস-ফা সাল্লালাহু তা’য়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম।
২. এলাহী বেহুরমাতে আমীরুল মোমেনীন মুশকিল কোশা হযরত আলী ইবনে আবু তালিব করমউল্লাহ ওয়াজহু (আঃ)।
৩. এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুস শোহাদা হযরত ইমাম হোসাইন (আঃ)।
৪. এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুস সালেকিন হযরত ইমাম জয়নুল আবেদীন (আঃ)।
৫. এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুল ওয়াসেলীন হযরত ইমাম মোহম্মদ বাকের (আঃ)।
৬. এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুল কামেলীন হযরত ইমাম জাফর সাদেক (আঃ)।
৭. এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুল আমেলীন হযরত ইমাম মুছা কাজেম (আঃ)।
৮. এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুস সাকলাইন হযরত ইমাম আলী ইবনে মূছা রেজা (আঃ)।
৯. এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুল ওয়াসেলীন হযরত শেখ মারুফ কারখী (কঃ ছিঃ আঃ)।
১০. এলাহী বেহুরমাতে সুলতানুল মাহ্বুবীন হযরত ছির্‌রী ছাখ্‌তি (কঃ ছিঃ আঃ)।
১১. এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুদ তোফা হযরত জুনাইদ বোগদাদী (কঃ ছিঃ আঃ)।
১২. এলাহী বেহুরমাতে সুলতানুল আওলীয়া হযরত আবুবকর শিবলী (কঃ ছিঃ আঃ)।
১৩. এলাহী বেহুরমাতে মহিবুস্‌ সালেকীন হযরত শেখ আবদুল আজিজ তামিমী (কঃ ছিঃ আঃ)।
১৪. এলাহী বেহুরমাতে ইমামুল কামেলীন হযরত আবুল ফজল আবদুল ওয়াহেদ তামিমী (কঃ ছিঃ আঃ)।
১৫. এলাহী বেহুরমাতে হযরত মাওলানা আবুল ফারাহ্‌ ইউসুফ তরতুসী (কঃ ছিঃ আঃ)।
১৬. এলাহী বেহুরমাতে হযরত মাওলানা সুফী আবুল হাসান কারসী (কঃ ছিঃ আঃ)।
১৭. এলাহী বেহুরমাতে সাইখুস সুউখ হযরত আবু সৈয়দ মুকাররম (কঃ ছিঃ আঃ)।
১৮. এলাহী বেহুরমাতে হযরত গাউসুল আজম পীরানে পীর দস-গীর, মাহবুবে ছোবহানী, কুতুবে রব্বানী,গাউসে ছমদানী ,মীর মহিউদ্দীন সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (কঃ ছিঃ আঃ)।
১৯. এলাহী বেহুরমাতে সুলতানুল আরেফীন হযরত শাহাবুদ্দীন সোহরাওর্দী (কঃ ছিঃ আঃ)।
২০. এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুল আরেফীন হযরত নিজামউদ্দীন গজনভী (কঃ ছিঃ আঃ)।
২১. এলাহী বেহুরমাতে হযরত সূফী সৈয়দ মোবারক গজনভী (কঃ ছিঃ আঃ)।
২২. এলাহী বেহুরমাতে হাদীউল আশেকীন হযরত সূফী নজমউদ্দীন গজনভী (কঃ ছিঃ আঃ)।
২৩. এলাহী বেহুরমাতে হযরত সূফী কুতুবউদ্দীন রওশন জমীর (কঃ ছিঃ আঃ)।
২৪. এলাহী বেহুরমাতে হাদী আলীউল্লাহ হযরত সূফী ফজলুল্লাহ্‌ (কঃ ছিঃ আঃ)।
২৫. এলাহী বেহুরমাতে জবদাতুল কামেলীন হযরত সৈয়দ মোহম্মদ (কঃ ছিঃ আঃ)।
২৬. এলাহী বেহুরমাতে সুলতানুল মোকাররেবীন হযরত সৈয়দ নাসিরউদ্দীন(কঃ ছিঃ আঃ)।
২৭. এলাহী বেহুরমাতে সাইখুল মাশায়েখ হযরত সূফী তকিউদ্দীন (কঃ ছিঃ আঃ)।
২৮. এলাহী বেহুরমাতে মাকসুদুদ তালেবীন হযরত সূফী নিজামউদ্দীন (কঃ ছিঃ আঃ)।
২৯. এলাহী বেহুরমাতে জুবদাতুল আরেফীন হযরত সৈয়দ আহালুল্লাহ্‌ (কঃ ছিঃ আঃ)।
৩০. এলাহী বেহুরমাতে কুদরাতুস সালেকীন হযরত সৈয়দ জাফর হোসাইনী (কঃ ছিঃ আঃ)।
৩১. এলাহী বেহুরমাতে মুতলাবুত তালেবীন হযরত সূফী খলিলউদ্দীন (কঃ ছিঃ আঃ)।
৩২. এলাহী বেহুরমাতে কুতুব-এ-জামান হযরত মাওলানা মোহম্মদ মোনায়েম (কঃ ছিঃ আঃ)।
৩৩. এলাহী বেহুরমাতে ইমাম হাইয়ুল কাইয়ুম হযরত সূফী মোহম্মদ দায়েম শাহ্‌ (কঃ ছিঃ আঃ)।
৩৪. এলাহী বেহুরমাতে মোতোয়াক্কেল আলাল্লাহে সূফী আহমেদউল্লাহ (কঃ ছিঃ আঃ)।
৩৫. এলাহী বেহুরমাতে হাদী ইলাল্লাহে হযরত হাজী সূফী লকিতুল্লাহ (কঃ ছিঃ আঃ)।
৩৬. এলাহী বেহুরমাতে হাজ্জুল হারামাইন হযরত সূফী মোহম্মদ সালেহ লাহোরী (কঃ ছিঃ আঃ)।
৩৭. এলাহী বেহুরমাতে গাউসুল আজম সুলতানুল আরেফীন রুহুল আশেকীন ফানা ফিল্লাহ বাকা বিল্লাহ হযরত শাহ্‌ সূফী মাওলানা সৈয়দ আহমদউল্লাহ মাইজভান্ডারী (কঃ ছিঃ ওঃ বাঃ)।
৩৮. এলাহী বেহুরমাতে গাউসুল আজম সুলতানুল মাশুকীন সিরাজুস ছালেকীন মাহবুব-এ-খালেক মুকতাদায়ে আহলে কাবা হযরত শাহ্‌ সূফী মাওলানা সৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভান্ডারী (বাবা ভান্ডারী)- (কঃ ছিঃ ওঃ বাঃ)।
৩৯. এলাহী বেহুরমাতে গাউস-এ-জামান সুলতানুল মাশোয়েখ হযরতুল আল্লামা শাহ্‌ সূফী মাওলানা সৈয়দ আবুল বশর আল্‌-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভান্ডারী (কঃ ছিঃ ওঃ বাঃ)।
৪০. এলাহী বেহুরমাতে.মোজাদ্দেদ-এ-জামান গাউস-এ-দাওরাঁ শায়খুল ইসলাম হযরতুল আল্লামা আলহাজ্জ শাহ্‌ সূফী মাওলানা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্‌-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভান্ডারী (মাঃ জিঃ আঃ)।
৪১. এলাহী বেহুরমাতে হাদী-এ-দ্বীন ও মিল্লাত শাহজাদা-এ-গাউসুল আজম হযরত শাহ্‌ সূফী মাওলানা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভান্ডারী (মাঃ জিঃ আঃ)।

Posted in Uncategorized | Tagged , | Comments Off on শাজরা-এ-গাউছিয়া মাইজভান্ডারীয়া

বংশনামা

বংশনামা

আওলাদ েরাসূল ছাল্লাল্লাহু আলাইহ িওয়া সাল্লাম শায়খুল ইসলাম, মুজাদ্দদি-এ-জামান, গাউছ েদাঁওরা

শাহসূফী মাওলানা সয়ৈদ মইনুদ্দীন আহমদ

আল-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভান্ডারী মাদ্দাজল্লিুহুল আলী।

১. রাহমাতাল্ললি আলামনি নূর েমোজাচ্ছাম হযরত আহমদ মোজতবা মুহাম্মদ মোস-ফা ছাল্লাল্লাহু আলাইহ িওয়া সাল্লাম।

২. হযরত খাতুন েজান্নাত ফাতমোতুজ্জোহরা (রাঃ) ও আমরিূল মোমনেীন, শরে-এ-খোদা, মুশকলি কোশা মাওলা আলী (করমাল্লাহ ওয়াজহু)।

৩. হযরত সাইয়্যদেনো ইমাম েআলী মোকাম হাসান (রাঃ)।

৪. হযরত সয়ৈদ হাসানুল মুছান্না আল্হাসানী (রাঃ)।

৫. হযরত সয়ৈদ আবদুল্লাহ মাহজ আল্হাসানী (রাঃ)।

৬. হযরত সয়ৈদ মুছা আল্-জুন আল্হাসানী (রাঃ)।

৭. হযরত সয়ৈদ আবদুল্লাহ ছানী আল্হাসানী (রাঃ)।

৮. হযরত সয়ৈদ মুছা আল্ছানী আল্হাসানী (রাঃ)।

৯. হযরত সয়ৈদ আবুবকর দাউদ আল্হাসানী (রাঃ)।

১০. হযরত সয়ৈদ মুহম্মদ শামসুদ্দীন জাকারয়িা আল্মোরছে আল্হাসানী (রাঃ)।

১১. হযরত সয়ৈদ ইয়াহয়িা জাহদে আল্হাসানী (রাঃ)।

১২. হযরত সয়ৈদ আবু আবদুল্লাহ আল্জলিী আল্হাসানী (রাঃ)।

১৩. হযরত সয়ৈদ আবু ছালহ্মেূছা জঙ্গী দোস- আল্হাসানী (রাঃ)

১৪. ইমামুল আউলয়িা হযরত গাউছুল আজম, কুতুব েরাব্বানী, মাহ্বুব েসুবহানী, আবু মুহম্মদ মহীউদ্দীন সয়ৈদ আবদুল কাদরে জলিানী আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী (রাঃ)।

১৫. হযরত সয়ৈদ আব্দুর রাজ্জাক আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী (রাঃ)।

১৬. হযরত সয়ৈদ আবু ছালহে নছর (নদর) আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী (রাঃ)।

১৭. হযরত সয়ৈদ মুহম্মদ জামালুদ্দীন আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী (রাঃ)।

১৮. হযরত সয়ৈদ মুহম্মদ দাউদ আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী (রাঃ)।

১৯. হযরত সয়ৈদ জালালুদ্দীন আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী (রাঃ)।

২০. হযরত সয়ৈদ বাহাউদ্দীন আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী (রাঃ)।

২১. হযরত সয়ৈদ তাজুদ্দীন আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী (রাঃ)।

২২. হযরত সয়ৈদ হামীদুদ্দীন শাহ্গৌরী হন্দিী আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী (রাঃ) হামদিগাঁও, পটযিা, কাঞ্চন নগর চট্রগ্রাম)।

২৩. হযরত সয়ৈদ আব্দুল কাদওে শাহ্ আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী (রাঃ)।

২৪. হযরত সয়ৈদ আতাউল্লাহ শাহ্আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী (রাঃ)।

২৫. হযরত সয়ৈদ তয়ৈবউল্লাহ শাহ্আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী (রাঃ)।

২৬. হযরত সয়ৈদ মতউল্িলাহ শাহ্আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী (রাঃ)।

২৭. (ক) ইমামুল আউলয়িা হযরত গাউছুল আজম সয়ৈদ আহমদউল্লাহ্মাইজভান্ডারী আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী (কঃ ছিঃ আঃ)।

(খ) হযরত সয়ৈদ আবদুল হামদি শাহ্ মাইজভান্ডারী আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী (রহঃ)।

(গ) হযরত সয়ৈদ আবদুল করমি শাহ্মাইজভান্ডারী আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী (রহঃ)।

২৮. ইমামুল আউলয়িা হযরত গাউছুল আজম সয়ৈদ গোলামুর রহমান মাইজভান্ডারী আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী বাবা ভান্ডারী (কঃ ছিঃ আঃ)।

২৯. সুলতানুল মাশায়খে হযরত সয়ৈদ আবুল বশর মাইজভান্ডারী আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী (কঃ ছিঃ আঃ)।

৩০. গাউছ েদাওঁরা হযরত শাহ্সূফী মাওলানা সয়ৈদ মইনুদ্দীন আহমদ আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী মাইজভান্ডারী (মাঃ জিঃ আঃ)।

৩১. হাদী-এ-জামান হযরত শাহ্সূফী মাওলানা সয়ৈদ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্হাসানী ওয়াল- হোসাইনী মাইজভান্ডারী (মাঃ জিঃ আঃ)।

Posted in Uncategorized | Tagged , | Comments Off on বংশনামা

শাজরা-এ-গাউছিয়া মাইজভান্ডারীয়া

শাজরা-এ-গাউছিয়া মাইজভান্ডারীয়া

১.এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুল আম্বিয়া সাইয়্যেদুল আস্পিয়া হযরত আহমদ মুজতবা মুহম্মদ মোস-ফা সাল্লালাহু তা’য়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

২. এলাহী বেহুরমাতে আমীরুল মোমেনীন মুশকিল কোশা হযরত আলী ইবনে আবু তালিব করমউল্লাহ ওয়াজহু (আঃ)।

৩. এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুস শোহাদা হযরত ইমাম হোসাইন (আঃ)।

৪. এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুস সালেকিন হযরত ইমাম জয়নুল আবেদীন (আঃ)।

৫. এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুল ওয়াসেলীন হযরত ইমাম মোহম্মদ বাকের (আঃ)।

৬. এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুল কামেলীন হযরত ইমাম জাফর সাদেক (আঃ)।

৭. এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুল আমেলীন হযরত ইমাম মুছা কাজেম (আঃ)।

৮. এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুস সাকলাইন হযরত ইমাম আলী ইবনে মূছা রেজা (আঃ)।

৯. এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুল ওয়াসেলীন হযরত শেখ মারুফ কারখী (কঃ ছিঃ আঃ)।

১০. এলাহী বেহুরমাতে সুলতানুল মাহ্বুবীন হযরত ছির্‌রী ছাখ্‌তি (কঃ ছিঃ আঃ)।

১১. এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুদ তোফা হযরত জুনাইদ বোগদাদী (কঃ ছিঃ আঃ)।

১২. এলাহী বেহুরমাতে সুলতানুল আওলীয়া হযরত আবুবকর শিবলী (কঃ ছিঃ আঃ)।

১৩. এলাহী বেহুরমাতে মহিবুস্‌ সালেকীন হযরত শেখ আবদুল আজিজ তামিমী (কঃ ছিঃ আঃ)।

১৪. এলাহী বেহুরমাতে ইমামুল কামেলীন হযরত আবুল ফজল আবদুল ওয়াহেদ তামিমী (কঃ ছিঃ আঃ)।

১৫. এলাহী বেহুরমাতে হযরত মাওলানা আবুল ফারাহ্‌ ইউসুফ তরতুসী (কঃ ছিঃ আঃ)।

১৬. এলাহী বেহুরমাতে হযরত মাওলানা সুফী আবুল হাসান কারসী (কঃ ছিঃ আঃ)।

১৭. এলাহী বেহুরমাতে সাইখুস সুউখ হযরত আবু সৈয়দ মুকাররম (কঃ ছিঃ আঃ)।

১৮. এলাহী বেহুরমাতে হযরত গাউসুল আজম পীরানে পীর দস-গীর, মাহবুবে ছোবহানী, কুতুবে রব্বানী,গাউসে ছমদানী ,মীর মহিউদ্দীন সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (কঃ ছিঃ আঃ)।

১৯. এলাহী বেহুরমাতে সুলতানুল আরেফীন হযরত শাহাবুদ্দীন সোহরাওর্দী (কঃ ছিঃ আঃ)।

২০. এলাহী বেহুরমাতে সাইয়্যেদুল আরেফীন হযরত নিজামউদ্দীন গজনভী (কঃ ছিঃ আঃ)।

২১. এলাহী বেহুরমাতে হযরত সূফী সৈয়দ মোবারক গজনভী (কঃ ছিঃ আঃ)।

২২. এলাহী বেহুরমাতে হাদীউল আশেকীন হযরত সূফী নজমউদ্দীন গজনভী (কঃ ছিঃ আঃ)।

২৩. এলাহী বেহুরমাতে হযরত সূফী কুতুবউদ্দীন রওশন জমীর (কঃ ছিঃ আঃ)।

২৪. এলাহী বেহুরমাতে হাদী আলীউল্লাহ হযরত সূফী ফজলুল্লাহ্‌ (কঃ ছিঃ আঃ)।

২৫. এলাহী বেহুরমাতে জবদাতুল কামেলীন হযরত সৈয়দ মোহম্মদ (কঃ ছিঃ আঃ)।

২৬. এলাহী বেহুরমাতে সুলতানুল মোকাররেবীন হযরত সৈয়দ নাসিরউদ্দীন(কঃ ছিঃ আঃ)।

২৭. এলাহী বেহুরমাতে সাইখুল মাশায়েখ হযরত সূফী তকিউদ্দীন (কঃ ছিঃ আঃ)।

২৮. এলাহী বেহুরমাতে মাকসুদুদ তালেবীন হযরত সূফী নিজামউদ্দীন (কঃ ছিঃ আঃ)।

২৯. এলাহী বেহুরমাতে জুবদাতুল আরেফীন হযরত সৈয়দ আহালুল্লাহ্‌ (কঃ ছিঃ আঃ)।

৩০. এলাহী বেহুরমাতে কুদরাতুস সালেকীন হযরত সৈয়দ জাফর হোসাইনী (কঃ ছিঃ আঃ)।

৩১. এলাহী বেহুরমাতে মুতলাবুত তালেবীন হযরত সূফী খলিলউদ্দীন (কঃ ছিঃ আঃ)।

৩২. এলাহী বেহুরমাতে কুতুব-এ-জামান হযরত মাওলানা মোহম্মদ মোনায়েম (কঃ ছিঃ আঃ)।

৩৩. এলাহী বেহুরমাতে ইমাম হাইয়ুল কাইয়ুম হযরত সূফী মোহম্মদ দায়েম শাহ্‌ (কঃ ছিঃ আঃ)।

৩৪. এলাহী বেহুরমাতে মোতোয়াক্কেল আলাল্লাহে সূফী আহমেদউল্লাহ (কঃ ছিঃ আঃ)।

৩৫. এলাহী বেহুরমাতে হাদী ইলাল্লাহে হযরত হাজী সূফী লকিতুল্লাহ (কঃ ছিঃ আঃ)।

৩৬. এলাহী বেহুরমাতে হাজ্জুল হারামাইন হযরত সূফী মোহম্মদ সালেহ লাহোরী (কঃ ছিঃ আঃ)।

৩৭. এলাহী বেহুরমাতে গাউসুল আজম সুলতানুল আরেফীন রুহুল আশেকীন ফানা ফিল্লাহ বাকা বিল্লাহ হযরত শাহ্‌ সূফী মাওলানা সৈয়দ আহমদউল্লাহ মাইজভান্ডারী (কঃ ছিঃ ওঃ বাঃ)।

৩৮. এলাহী বেহুরমাতে গাউসুল আজম সুলতানুল মাশুকীন সিরাজুস ছালেকীন মাহবুব-এ-খালেক মুকতাদায়ে আহলে কাবা হযরত শাহ্‌ সূফী মাওলানা সৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভান্ডারী (বাবা ভান্ডারী)- (কঃ ছিঃ ওঃ বাঃ)।

৩৯. এলাহী বেহুরমাতে গাউস-এ-জামান সুলতানুল মাশোয়েখ হযরতুল আল্লামা শাহ্‌ সূফী মাওলানা সৈয়দ আবুল বশর আল্‌-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভান্ডারী (কঃ ছিঃ ওঃ বাঃ)।

৪০. এলাহী বেহুরমাতে.মোজাদ্দেদ-এ-জামান গাউস-এ-দাওরাঁ শায়খুল ইসলাম হযরতুল আল্লামা আলহাজ্জ শাহ্‌ সূফী মাওলানা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্‌-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভান্ডারী (মাঃ জিঃ আঃ)।

৪১. এলাহী বেহুরমাতে হাদী-এ-দ্বীন ও মিল্লাত শাহজাদা-এ-গাউসুল আজম হযরত শাহ্‌ সূফী মাওলানা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভান্ডারী (মাঃ জিঃ আঃ)।

Posted in Uncategorized | Tagged , | Comments Off on শাজরা-এ-গাউছিয়া মাইজভান্ডারীয়া

নবী করিম (দঃ) কে ভক্তি শ্রদ্ধা ও সম্মান করার আবশ্যকতা

নবী করিম (দঃ) কে ভক্তি শ্রদ্ধা ও সম্মান করার আবশ্যকতা

আল্লাহ সুবহানাহু তা’য়ালা বলেন, হে নবী ! নিশ্চয় আমিই আপনাকে (রাসূল বানিয়ে) প্রতক্ষদর্শী  সাক্ষ্যদাতা ও সুসংবাদেও বাহক এবং সতর্ককারী হিসাবে পাঠিয়েছি। যাতে (হে মুসলমানেরা!) তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাছুলের উপর ঈমান আনবে। তাঁকে সাহায্য সহযোগিতা করবে। তাঁর প্রতি আদব-সম্মান শ্রদ্ধা দেখাবে এবং সকাল সন্ধ্যা আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করবে। (আল-ফাতহঃ ৯) হে ঈমানদারারা! (কোন ব্যাপারেই) তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আগ বাড়িয়ে এগিয়ে যেও না। আল্লাহকে ভয় করো (যাতে কখনও রাসূলের সাথে বেআদবী না হয়ে যায়)। নিশ্চয়ই আল্লাহ সবকিছু শুনেন, সবকিছু জানেন। (হুজরাতঃ ৯) হে ঈমানদারারা! তোমরা নিজেদের আওয়াজ কণ্ঠস্বর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কণ্ঠস্বর থেকে উঁচু করো না। এমন উচ্চশব্দে কথা ও বলবে না যেভাবে তোমরা একে অপরের সাথে উঁচু গলায় বল। এমন যেন না হয় যে, তোমাদের সমস- আমলই (ঈমানসুন্ধ) বরবাদ হয়ে যাবে, আর তোমরা (তোমাদের ঈমান আমল বরবাদ হওয়ার ব্যাপারটি ঘুণাক্ষরেও) টের পাবে না। নিঃসন্দেহে যেসব লোক আল্লাহর রাসূলের দরবারে কথা বলার সময় আদব রক্ষার্থে নিজেদের আওয়াজ নিচু রাখে আসলে তারা সেই লোক যাদের অন-রকে আল্লাহ তাকওয়ার জন্য যাচাই করে বাছাই করে নিয়েছেন। এদেরই জন্য ক্ষমা ও বড় ধরনের পুরস্কার রয়েছে।
নিশ্চয়ই যারা আপনাকে হুজরাগুলোর বাইরে থেকে ডাকাডাকি করে এদের জন্য অধিকাংশই (আপনার উচ্চ মর্যাদা ও আপনাকে সম্মান জানানোর পন’া ও পদ্ধতির ব্যাপরে) কিছুই বুঝে না। (হুজরাতঃ ৩-৪)
আল্লাহতা’য়ালা বলেন, (হে মুসলমান!) নিজেদের মাঝে রাসূলকে ডেকে আনাকে তোমাদের একে অপরকে ডেকে আনার মত ব্যাপার মনে করো না। (নুরঃ ৬৩)
ওপরের আয়াতসমূহ এ কথার স্পষ্ট দলিল প্রমান যে, আল্লাহতা’য়ালা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ভক্তি শ্রদ্ধা করা এবং তাঁর প্রতি যথাযত ইজ্জত সম্মান দেখানো মুমিন মুসলমানের ওপর বাধ্যতামূলক ও অবশ্য পালনীয় করে দিয়েছেন। ওপরে উদ্ধৃত প্রথম আয়াতটিতে ঈমান আনার নির্দেশের সাথে সাথেই সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শনের ব্যাপারটি উল্লেখ করেছেন। এর পরেই আল্লাহর তসবীহ তথা গুনগানের নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ স্বয়ং নিজের তসবীহ তথা গুণগানের আগেই নিজের প্রিয় হাবীব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি যথাযথ সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শনের কথা উল্লেখ করেছেন।
এতে বুঝা যায়, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি সম্মান, শ্রদ্ধাবোধ ও চেতনা ঈমাননে সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। আল্লাহ চান তাঁর হাবীবের প্রতি শ্রদ্ধা সহকারে বান্দাহ আল্লাহর তাসবীহ গুণগান তথা ইবাদত-বন্দেগী করুক। আল্লাহর ইচ্ছা ও পছন্দ এটাই। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস বলেন, ‘তুআজ্জেরুহু’ অর্থাৎ তোমরা তাকে সম্মান ও শ্রদ্ধা কর। আরবী ভাষায় প্রখ্যাত মুফাসসির ও ব্যাকরণবিন ‘মুবরাদ’ এর অর্থ করেছেন তোমরা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি শ্রদ্ধা দেখানোর ক্ষেত্রে অতিরঞ্জন ও আতিশয্য করো। ‘আখফাশ’ বলেছেন এর অর্থ তোমরা তাকে সহায়তা সহযোগিতা কর। আল্লামা তাবারী এ থেকে নূসরত ও মদদ অর্ধ নিয়েছেন। কোন কোন কেরআতে ‘তুআজ্জেরুহু’ শব্দটি দু’টি যা (আরবি হরফ) সহকারে পাঠ নিয়ে এর অর্থ করা হয়েছে, তাকে ইজ্জত সম্মান কর। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) এর ছ’লবসহ অন্যান্য ভাষাবিদগণ বলেছেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে ‘আগ বাড়িয়ে যাওয়ার যে নিষেধাজ্ঞা’-এর অর্থ হচ্ছে- কোন কথা হুজুর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বলার আগেই না বলা অথবা হুজুরের সাথে কথাবার্তার সময় আগে আগে বলে বেআদবী না করা।
হযরত সাহল (রাঃ) বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বলার আগে তোমরা বলে ফেলবে না। তিনি যখন কথা বলেন তখন কান লাগিয়ে মনোযোগ দিয়ে শুনবে এবং চুপ থাকবে। মুসলমানদেরকে এ কথাও বলা হচ্ছে, কোন ব্যাপারে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফয়সালা সিদ্ধান- দেওয়ার আগেই তারাহুরা করে আগে আগে নিজেরা সিদ্ধান- নিও না, তাদেরকে এও নিষেধ করা হয়েছে যে, যুদ্ধ কিংবা অন্যান্য যে কোন বিষয় ও দ্বীনি ব্যাপারে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মতের পরিপনি’ কোন মত বা সিদ্ধান- যেকারো কাছ থেকে না নেয়। একই বক্তব্য হযরত হাসান বশরী, মুজাহিদ, দাহ্‌হাক, সুদ্দী এবং সুফিয়ান সওরী (রহঃ) সবার।
এরপর আল্লাহ তায়ালা মুসলমানদেরকে এর পরিপনি’ কাজ যাতে না করে সে জন্য উপদেশ দিয়েছেন এবং সতর্ক ও করেছে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, তিনি সবকিছু শুনেন সবকিছু জানেন।’ (হুজরাতঃ ১)
ইমাম আবু মোহাম্মদ মক্কী (রহঃ) বলেন, কর্কশ ও অশোভন ভাষায় রাসূলের সাথে কথা বলার চেষ্টা করো না বরং তাঁর প্রতি সর্বোচ্চ মাত্রায় অত্যান- আদব ও ভদ্রতার সাথে তাকে ডাকবে যেমন ইয়া রাসূল্লাহ! ইয়া নবী আল্লাহ! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। “তোমরা রাসূলাল্লাহকে এমনভাবে ডেকো না যেমন নিজেদের মধ্যে একে অপরকে ডাকো।” (নুরঃ ৬৩)
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শনের ক্ষেত্রে সাহাবায়ে কেরামের রীতি প্রথা
সাহাবায়ে কেরাম নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শনের ব্যাপারে অত্যন- যত্নবান ছিলেন। হযরত আমর ইবনে আস (রাঃ) বর্ননা করেন, আমার কাছে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের তুলনায় অধিক প্রিয় আর কেউ ছিলেন না। অত্যধিক ভক্তি শ্রদ্ধা ও সমীহ করার কারনে আমি জীবনে কখনও তাঁর দিকে চোখ তুলে তাকাতে পারিনি।
ইমাম তিরমিযী হযরত আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণণা করেছেন যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ঘর থেকে বের হয়ে আসতেন তখন উপসি’ত সাহাবাদের দৃষ্টি নিচের দিকে নত হয়ে যেত।
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি সর্বাবস’ায় মনোযোগ নিবদ্ধ রাখা এবং তাঁর আনুগত্য করা প্রত্যেক ঈমানদারের উপর ফরজ।

Posted in Uncategorized | Tagged , | Comments Off on নবী করিম (দঃ) কে ভক্তি শ্রদ্ধা ও সম্মান করার আবশ্যকতা

ইমাম গাজ্জালী(রহ) ও তার জ্ঞান চর্চা

অতপর আসল জ্ঞানের প্রকৃত স্বরুপ চেতনার জন্য আমি অনেক চেস্টা সাধনা করেছি।ফলে যা বুঝেছি তা এই যে জ্ঞানের আলোকে সকল বস্তুর স্বরুপ সর্ম্পুণ সন্দেহাতিত রুপে স্বাভাবিক ভাবেই উদ্ভাসিত হয়ে উঠে এবং কোন রুপ ভূলভ্রান্তির অবকাশ থাকেনা।তাই হল প্রকৃত জ্ঞান এবং যে কোন জ্ঞান দ্বারা এমন একটি দৃঢ় বিশ্বাস ও মনোবল সৃস্টি হয় যা পথ ভ্রস্টতার সকল আসংকা থেকে মুক্ত তাই হল যর্থাথ জ্ঞান।উধহারন স্বরুপ বলা যায়,প্রস্তর খন্ডকে সচ্ছ স্বর্ন মুদ্রায় রুপান্তরিত করা সক্ষম এবং লাঠি দ্বারা সাপ তৈরী করতে সর্মথ এমন ব্যাক্তিও যদি সে বিশ্বাসকে আন্দোলিত করার প্রয়াস পায় তবুও তা অচল এবং অটল থাকবে।যেমন আমি জানি দশ তিনের অধিক।জনৈক ব্যাক্তি এসে প্রতিবাদ করে বলল “না তিন দশের অধিক।এর প্রমান স্বরুপ সে একটা রড দ্বারা একটি সাপ বানিয়ে দেখালো।আমি তার এ আলৌকিক শক্তি প্রত্যক্ষ স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করলাম।কিন্তু তার এই শক্তি আমাকে স্তম্ভিত করলেও আমার বিশ্বাসের দৃঢ়তাকে মোটেও বিচলিত করতে পারবে না এবং বিশ্বাস আমার অটল অচল থাকবে দশ তিনের অধিক।
অতপর আমি নিশ্চিত হলাম যে ,যে জ্ঞান উল্লেখিত গুনে গুনান্বিত নয়,তা র্নিভর যোগ্য নয়।কারণ যে জ্ঞান স্বয়ং দ্বিধা সন্দেহ ও ভূলের ভ্রান্তির অবকাশ মুক্ত নয়,তা দ্বারা কোন বিষয়ে সুদৃঢ় বিশ্বাস অর্জন করা হয় না।আর সে শক্তিও তার নেই।

Posted in Uncategorized, লেখনী সমূহ | Tagged , , , | Comments Off on ইমাম গাজ্জালী(রহ) ও তার জ্ঞান চর্চা