Welcome to মাইজভান্ডারীদর্পন

Featured Post

সুফীবাদের মর্মকথা ঃ
সুফীবাদের মর্মকথা ঃ সমাজের অন্যান্য মানুষের মতো ইন্দ্রিয়-অভিজ্ঞতা ও খন্ডবুদ্ধির সাহায্যে জ্ঞানের সন্ধান না করে যারা মরমী অভিজ্ঞতা বা অতীন্দ্রিয় স্বজ্ঞার সাহায্যে পারমার্থিক জ্ঞানের সন্ধান করেন,যারা অবভাস ও প্রতিভাসের সত্মর ভেদ করে বিকারহণি শাশ্বত...
Read More ...


Comment

Comment here if you like this plugin.

Member Login

Sign Up Now!

Forgot Password !

New password will be e-mailed to you.

Powered by

আন্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়ার উদ্যোগে আওলাদে হযরত শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ক.)’র স্মরণসভা,বদর দিবস ও রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা এবং ইফতার মাহফিলঅনুষ্ঠিত।

আন্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়ার স্মরণসভায় বক্তারা
সুন্নীয়ত ও মাইজভাণ্ডারী দর্শন আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সর্বোত্তমভাবে তুলে ধরেছেন সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ক.)

আন্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়ার উদ্যোগে আওলাদে রাসূল (দ.) শায়খুল ইসলাম,হযরত শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ক.)’র দ্বিতীয় চান্দ্রবার্ষিক ওরশ শরীফ উপলক্ষে স্মরণসভা,বদর দিবস ও মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা এবং ইফতার মাহফিল ২৭ জুলাই শনিবার বিকেলে চট্রগ্রাম নগরীর জি ই সি মোড়ে কে স্কয়ার কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন ও আন্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়ার সভাপতি পীরে ত্বরীক্বত শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.)। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন,কৃতকর্মের জন্য জবাবদিহিতা ও খোদাভীতির চেতনা জাগ্রত রাখাই মাহে রমজানের দর্শন। এ মাসের ১৭ রমজান সংঘটিত বদর যুদ্ধের মুসলমানদের বিজয়ের মাধ্যমে অন্যায়,মিথ্যা ও কুফরী শক্তির বিরুদ্ধে সত্য,ন্যায় ও ইনসাফের পতাকা উড্ডীন হয়েছিল। সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য এবং দ্বীন-ইসলামের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করাই বদর দিবসের শিক্ষা। বদর যুদ্ধের চেতনায় সমাজ থেকে অশুভ ও মানবতবিরোধী শক্তির অপছায়া সরাতে হক্কানি দেশপ্রেমিক সুন্নি জনতাকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বক্তারা বলেন,সুন্নিয়ত ও মাইজভাণ্ডারী দর্শনই অশান্ত দ্বন্দ্বমুখর বিশ্বে শান্তির বাতাবরণ তৈরী করতে পারে।

সুন্নিয়ত প্রচারে ও মাইজভাণ্ডারী দর্শনকে আন্তর্জাতিকভাবে সর্বোত্তমভাবে তুলে ধরেছেন শায়খুল ইসলাম,গাউসুল ওয়ারা হযরতূল আল্লামা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভান্ডারী(ক.)। তিনি আজীবন নিজেকে সুন্নীয়ত ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় উৎসর্গ করেন। তাঁর পদাংক অনুসরণের মাধ্যমে অনৈক্য দ্বন্দ্বে নিমজ্জিত মুসলিম উম্মাহ আত্মমর্যাদা নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে। আল্লামা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ক.)’র জীবন দর্শন ও বদর দিবসের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভায় বিশিষ্ট উলামায়ে কেরাম ও বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে অতিথি হিসেবে আলোচনায় অংশ নেন,সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী,ইসলামী ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সামীম মুহাম্মদ আফজাল,পীরে ত্বরীক্বত আল্লামা হাফেজ সাইফুর রহমান নেজামী,খতিবে বাঙাল অধ্যক্ষ আল্লামা জালালুদ্দীন আল-কাদেরী,পীরে ত্বরীক্বত আল্লামা ইলিয়াস রেজভী,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক ভিচি প্রফেসর ড. মইনুদ্দিন আহমদ খান,ইসলামী চিন্তাবিদ ও রাজনীতিবীদ মাওলানা এম এ মতিন,অধ্যক্ষ আল্লামা এস এম ফরিদ উদ্দিন,প্রফেসর ড. এস এম রফিকুল আলম,অধ্যক্ষ আল্লামা হারুনুর রশিদ,অধ্যক্ষ আল্লামা এ এফ এম ফরিদ উদ্দিন,মাওলানা হোসাইন আহমদ ফারুকী,খলিফা এডভোকেট কাজী মুহাম্মদ মহসিন চৌধুরী,আন্জুমানের সহসভাপতি আলহাজ্ব কবির চৌধুরী। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন অধ্যক্ষ আ ন ম দেলাওয়ার হোসাইন মাইজভাণ্ডারী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ আল্লামা ক্বারী নূরুল আলম খান,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ আলহাজ্ব ফখরুল আনোয়ার,অধ্যক্ষ মাওলানা আজিজুল হক কুতুবী,মাওলানা শায়ের হারুনুর রশিদ,মাওলানা ইয়াছিন মাদানী,মাওলানা সালেহ সুফিয়ান ফরহাদাবাদী,মাওলানা কাজী তওহিদুল আলম,পটিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুহাম্মদ ইদ্রিস,কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ নেতা এ.টি.এম পেয়ারুল ইসলাম,ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ হারুন প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে হযরত সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী বলেন,ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। এই দ্বীন-ইসলামকে প্রতিষ্ঠার জন্য যুগে যুগে আউলিয়ায়ে কেরাম নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। তেমনি সুন্নিয়ত প্রতিষ্ঠায় নিবেদিত ছিলেন শাহ্সূফী মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ক.)। আলোচক এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন,বিশ্বব্যাপী আজ মুসলিম দেশগুলোতে হানাহানি ও মুসলমানদের মধ্যে অনৈক্য বিরাজ করছে। এই অপ্রীতিকর অবস্থা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আল্লামা সাইফুর রহমান নিজামী বলেন,সুন্নী উলামা জনতাকে সুন্নিয়তের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ করার আজীবন চেষ্টা করে গেছেন গাউসুল ওযারা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওযার হোসাইনী মাইজভান্ডারী (ক.)। তিনি আমাদের উজ্জীবন ও প্রেরণার উৎস। অধ্যক্ষ আল্লামা জালালুদ্দীন আল্-কাদেরী বলেন,নিজের জীবনের মায়া ত্যাগ করে দ্বীন ও সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য সতত প্রয়াস চালিয়ে যাওয়াই বদর দিবসের শিক্ষা। ড. মইনুদ্দীন আহমদ খান বলেন,বহুধা বিভক্ত মুসলিম জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করাই আজ আমাদের প্রধান কর্তব্য হওয়া উচিত। কুরআন সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরলে মুসলমানরা হারানো গৌরব ও মর্যাদা ফিরে পাবে। মাওলানা এম এ মতিন বলেন,সুন্নিয়তের জন্য হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ক.)’র ত্যাগ ও অবদান কখনো ভোলা যাবে না। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার প্রতি তাঁর বিশেষ সুদৃষ্টির কথা স্মরণ করেন তিনি। মাওলানা শায়ের হারুনুর রশিদের পরিবেশনায় সালাত মিলাদ কিয়াম শেষে দেশ ও বিশ্ববাসির শান্তি-কল্যাণ কামনায় মুনাজাত পরিচালনা করেন হযরত শাহসূফী সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল- হাসানী মাইজভান্ডারী (ম.জি.আ.)।

No Comments