Welcome to মাইজভান্ডারীদর্পন

Featured Post

১৭ আগষ্ট (শনিবার) বিশ্ব শান্তির দূত শাহ্সূফী সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারীর ২য় ওরশ শরীফ।
১৭ আগষ্ট (শনিবার) বিশ্ব শান্তির দূত শাহ্সূফী সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারীর ২য় ওরশ শরীফ। আগামী ১৭ আগষ্ট (শনিবার) বিশ্ব শান্তির দূত,ত্বরীকায়ে মাইজভান্ডারীয়ার দিকপাল,আওলাদে রাসূল (দ.),শায়খুল ইসলাম,হুজুরে গাউছুল ওয়ারা হযরতুলহাজ্ব শাহ্সূফী মাওলানা...
Read More ...


Comment

Comment here if you like this plugin.

Member Login

Sign Up Now!

Forgot Password !

New password will be e-mailed to you.

Powered by

ধর্মের নামে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে- আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের সংবাদ সম্মেলন।

ধর্মের নামে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে- আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতের সংবাদ সম্মেলন।
স্থানঃ ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটি,৮/৪/১-এ,তোপখানা রোড,সেগুনবাগিচা ঢাকা-১০০০।

প্রিয় সাংবাদিক ও উপস্থিত সূধীবৃন্দ
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহে ওয়া বারাকাতাহু। আজ অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। কখনও কল্পনাও করি নাই যে এভাবে ধর্মের নামে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে দেশকে অস্তিতিশীল করার প্রতিবাদে আহলে সুন্নাত ওয়াল জমা’আতের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হতে হবে। আপনারা বহুদিন থেকে লক্ষ্য করে থাকবেন যে,মানবতাবাদী শান্তির পরম ধর্ম পবিত্র ইসলামকে ব্যবহার করে কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল সারা বিশ্বে এই মহান ধর্মকে প্রশ্নের মুখোমুখি দাড় করিয়ে দিয়েছে। বাংলাদেশেও মাঝে মাঝে ধর্মের নামে এ সকল সন্ত্রাসী জঙ্গীবাদী কার্যক্রম মাথাচাড়া দিয়ে উঠলেও ইদানিং বেশ কিছুদিন ধরে হেফাজতে ইসলাম নামক একটি সংগঠন ও তাদের দোসররা দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরীর জন্য বিভিন্নভাবে ধর্ম রক্ষার ধুয়া তুলছে। তাদের কর্মকান্ড কোন অবস্থাতেই ইসলাম সম্মত নয়। ইসলাম কোনভাবেই ধর্মীয় উম্মদনা সন্ত্রাস,দাঙ্গা-হাঙ্গামা,নির্যাতন,নিপীড়ন সমর্থন করেনা। ইসলামে শান্তিপূর্ণভাবে সকল কিছুর সমাধানের পথ রয়েছে। কতিপয় নামধারী মুসলমানরা আজ ধর্মকে রক্ষা করার নাম করে যা করছে তা ইসলামকে কলংকিত করারই নামান্তর। আপনারা ইতিমধ্যে এ রকম ধর্মের নামে অধর্মীয় ক্রিয়াকলাপ লক্ষ্য করে থাকবেন। বর্তমানে হেফাজতে ইসলাম নামক সংগঠন ও তাদের সহযোগীদের আমির আহমদ শফির নিজেস্ব কতিপয় ইসলাম বিদ্বেষী বিষয়াবলী যা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (দঃ) কে হেয় প্রতিপন্ন করার ধৃষ্টতা ছাড়া অন্য কিছু নয় এবং এ ধরনের কুফুরী নিঃসন্দেহে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আমি কিছু বিষয় আপনাদের মাধ্যমে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের সামনে তুলে ধরতে চাই।
১। আল্লাহ মিথ্যা কথা বলতে পারেন কিন্তু বলেন না,আল্লাহ ওয়াদা খেলাফী করতে পারেন কিন্তু করেন না। (ভিত্তিহীন প্রশ্নাবলীর মূলোৎপাঠন পৃঃ ২/৩)
২। নবী শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো অদৃশ্যের সংবাদ দাতা অথচ আহমদ শফির বক্তব্য হলো যে নবী অদৃশ্যের জ্ঞান জানেন না। (সুন্নত ও বিদাতের সঠিক পরিচয় পৃঃ ১৩৪)

উপরোক্ত বিষয় ছাড়াও আরো আল্লাহ ও রাসূল বিরোধী অনেক বিষয়াবলী রয়েছে যা প্রকারান্তরে কুফুরী এবং মুসলমান নামধারী এ সকল ধর্ম বিকৃতকারীদের কারনে বর্তমানে নব্য নাস্তিকের জন্ম হচ্ছে। আমরা পূর্বেও এ সকল আল্লাহ ও রাসূল বিরোধীদের ব্যাপারে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করেছি এবং আজও করছি। যারা অপব্যখ্যাকারী তারা ইহুদী নাসারাদের দোসর। আমরা শান্তিতে বিশ্বাসী বলেই আমরা রাষ্ট্রের প্রতি আইন করে শাস্তি প্রদানের আহব্বান জানাচ্ছি।
আপনারা লক্ষ্য করে থাকবেন সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসলমান যারা আল্লাহ ও রাসূলগণকে অলি আউলিয়াকে সম্মানের সাথে স্মরণ করে তারা কখনও সন্ত্রসের পথ বেছে নেয় না,তারা রাষ্টের নাগরিক কর্তব্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেই আজও এ দেশে শান্তি বিদ্যমান আছে। দূর্ভাগ্য জনক হলেও সত্য এ সকল নামধারী মুসলমানরা বিভিন্ন ওহাবী মওদুদী হেফাজতী সহ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নামে আহলে সুন্নাত ওয়াজ জামাতের অনুসারীদের নিগৃহীত করছে। এবং তাদের মত উগ্র হওয়ার জন্য প্ররোচিত করতে বিভিন্ন ভাবে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

আপনার জানেন গত শুক্রবার হেফাজত ইসলামের নামে এই ধর্মান্দ গুষ্টি দেশের বিভিন্ন মসজিদ দেশের জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকারম সহ বিভিন্ন উপাসনালয়ে যে ধরণের অপবিত্র কীর্তিকলাপ করেছে তেমনী চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে জুম্মার নামাযের সময়ে মেহরাব লক্ষ্য করে জুতা পানির বোতল ছুড়ে মারে যা মসজিদে রক্ষিত পবিত্র কোরানে উপরেও পড়েছে তা ছাড়া আমাকে অশী­ল বাক্য ব্যবহার ও লাঞ্চিত করে কয়েক ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখে। মসজিদের পবিত্রতায় রক্ষায় তাদের কোনা দায় ছিল না? আপনারা জানেন মসজিদই ইবাদতের পবিত্রতম স্থান এবং তা মান্য করা সকল মুসলমানের ধর্ম। তাদের মসজিদকে কেন্দ্র করে হীন কৃতকলাপ কোন ধর্ম পালনীয় বিষয়ের পর্যায়ে পওে না।

জগতে নবী রাসূলগণের পরে আল্লাহর বিশেষ নেয়ামতপ্রাপ্ত ব্যাক্তিগণেই অলি আউলিয়া নামে পরিচিত যারা মানুষকে বিভিন্নভাবে আল্লাহমূখী করায় ভুমিকা রাখেন। কিন্ত তাদেরকেই অপমান করতে এদের দ্বিধা নেই। আপনারা হয়তো ইতিমধ্যেই জেনে গেছেন যে,গত শুক্র ও শনিবার চট্টগ্রাম হাটহাজারী বাসস্টান্ড সংলগ্ন নোমানিয়া মাদ্রাসা,পার্শ্ববতী মসজিদ ও প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন ইমামে আহলে সুন্নাত হযরতুল আল্লামা আজিজুল হক আল কাদেরী প্রকাশ শেরে বাংলা (রাঃ) মাজারের গ্লাস ভাংচুর সহ বিভিন্ন স্থানে সম্মানিত অলি বুজুর্গানদের মাজারে হামলা,দাঙ্গা-হাঙ্গামা সহ ধ্বংসাত্বক কার্যকলাপের মাধ্যমে মানুষকে জিম্মি করছে।

মানবপ্রেম সহমর্মিতা সহিষ্ণুতা সম্প্রীতির আদর্শ যা ইসলামের মুল শিক্ষা সেই চেতনাকে ধারন করে আমরা পথ চলতে চাই। রাষ্ট্রে ধর্মের নামে কোন বিশৃঙ্খলা চাই না। যে বা যারা এই ধরনের অপতৎপরতার সাথে জড়িত আছে বা ভবিষ্যতে জড়িত হবে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শা¯িত দাবি করছি। আল্লাহ ও তাঁর রাসূল আমাদের সকলের সহায় হউন।

ওয়া আখের দাওয়ানা——————————–আলামিন।

No Comments