মাতৃভাষা বাংলা আমাদের অহংকার ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমেই শিশুদের মানসিক বিকাশ সম্ভব-সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী

মাতৃভাষা বাংলা আমাদের অহংকার ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমেই শিশুদের মানসিক বিকাশ সম্ভব
-সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী

১৫ ফেব্র“য়ারী ২০১৩ শুক্রবার দিনব্যাপী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টি এস সি সংলগ্ন স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্ত্বরে “মইনীয়া শিশু-কিশোর মেলা”র উদ্যোগে অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে শিশু-কিশোরদের নিয়ে চিত্রাংকন ও সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা, শিশু-কিশোর মানব বন্ধন এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন মইনীয়া শিশু-কিশোর মেলা, আনজুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়া, সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী ট্রাষ্ট এর সভাপতি ও দরবার-এ গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর বর্তমান সাজ্জাদানশীন আওলাদে রাসুল (দঃ) সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী।

সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী তাঁর উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন – মাতৃভাষা বাংলা আমাদের অহংকার আর আজকের শিশুরাই আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার কারিগর। শৈশব থেকেই সুস্থ সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে একটি শিশুর মুক্ত চিন্তা চেতনার বিকাশ সমাজ রাষ্ট্র ও জাতি গঠনে অগ্রনী ভূমিকা রাখতে পারে। শান্তি, সম্প্রীতি, ঐক্য ও প্রগতি বিনির্মাণে দরবার-এ গাউসুল আজম মাইজভান্ডারীর সামাজিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শিশুদের অধিকার এবং তাদের মানসিক বিকাশে মইনীয়া শিশু-কিশোর মেলার এই বিশেষ আয়োজন অব্যহত থাকবে। শিশু-কিশোরদের মানসিক উন্নতি সাধনে সুষ্ঠ ও সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চার পরিবেশ সৃষ্টি করতে তিনি সমাজের বিত্তবাননের প্রতি আহবান জানান।

বিকেলে সর্বস্তরে বাংলাভাষা চালু,মানবতার শত্র“ যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবীতে শিশুদের মানব বন্ধন শেষে পুরস্কার বিতরণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ঢা বি’র অধ্যাপক ড. আ. ন. ম. রইছউদ্দিন, ড. ওয়াহিদুজ্জামান সহ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের সদস্যবৃন্দ। চিত্রাংকনে – চারটি বিভাগে ১ম, ২য়, ৩য় ছাড়াও অতিরিক্ত পনেরোটি বিশেষ পুরস্কার সহ মোট সাতাশটি পুরস্কার এবং ‘সুন্দর হাতের লেখা’য় চারটি বিভাগে সেরা দশ জন করে চলি¬শটি পুরস্কার মিলিয়ে সর্বমোট সাতষট্টিটি ক্রেষ্ট ও মেডেল বিজয়ীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। পরিশেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

This entry was posted in Uncategorized. Bookmark the permalink.

No Comments