মালয়েশিয়ায় আল্লামা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ক.) এর বাৎসরিক ওরশ শরীফ পালিত

মালয়েশিয়া আন্জুমানের উদ্যোগে
আল্লামা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ক.) এর
বাৎসরিক ওরশ শরীফ পালিত

আন্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়া ও প্রবাসীদের যৌথ উদ্যোগে ২২ সেপ্টেম্বর ২০১২ ঈসায়ী শনিবার মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালামপুরের কোতারাইয়া বিস্মিল্লাহ্ হোটেলের হল রুমে বিশ্বব্যাপী প্রচারিত ত্বরীক্বায়ে মাইজভান্ডারীয়ার দিকপাল, শায়খুল ইসলাম, হুজুর গাউছুল ওয়ারা আল্লামা শাহ্সূফী সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল্-মাইজভান্ডারী (ক.) এর ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন-আন্জুমান কেন্দ্রীয় সভাপতি, দরবারে গাউছুল আ’যম মাইজভান্ডারীর সাজ্জাদানশীন হযরতুলহাজ্ব মাওলানা শাহ্সূফী সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.)। তিনি বলেন- রাসূল প্রেম ব্যতিত আল্লাহর নৈকট্য অর্জন ও বিশ্ব শান্তি স্থাপন সম্ভব নয়। আর প্রিয় মুরর্শিদ হযরত সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ক.) বিশ্ববাসীকে সেই শিক্ষাই দিয়ে গেছেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় আজ কিছু জ্ঞান পাপী ও বিকৃত মতাদর্শী লোক ইচ্ছাকৃত ভাবে ইসলামের বিরুদ্ধে বিষোদগার ও মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অবমাননার দৃষ্টতা দেখাচ্ছে। অথচ সকল যুগের জ্ঞানী মনীষীরা হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এক বাক্যে সর্বকালের সর্বোত্তম ব্যক্তিত্ব ও মহামানব হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অবমাননা করে আমেরিকায় চলচ্চিত্র নির্মাণ ও ফ্রান্সে পত্রিকায় কার্টন ছাপানোর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে জাতিসংঘ, আরবলীগ, ও.আই.সি ও আধুনিক মালয়েশিয়ার রূপকার মাহাথীর মাহমুদ সহ বিশ্বসংস্থা সমূহকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহব্বান জানান। বিশেষ অতিথি ছিলেন- চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী। সভাপতিত্ব করেন-কুয়ালামপুর আন্জুমান আহ্বায়ক মুহাম্মদ শিপন আলী। হুজুর কেবলার জীবন দর্শনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন মুহাম্মদ মাসুদ রানা, মুহাম্মদ কবির মিয়া, মুহাম্মদ আক্তার হোসেন, মুহাম্মদ মনির হোসেন, আবু কাউছার ভূঁইয়া, মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন, আব্দুর রউফ, মুহাম্মদ সেলিম, মুহাম্মদ ওমর ফারুক প্রমুখ। বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র বলেন আল্লামা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ক.) তাঁর বেলায়তী ও আধ্যাত্মিক ক্ষমতার মাধ্যমে ত্বরীক্বায়ে মাইজভান্ডারীয়াকে বিশ্ব দরবারে সু-প্রতিষ্ঠিত ভিত্তির উপর দাঁড় করে দিয়ে গেছেন। তিনি এ ত্বরীক্বার প্রেমবাদ নীতি অনুসরণের মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে মাইজভান্ডারী ত্বরীক্বার পতাকা তলে ঐক্য বদ্ধ করতে শান্তির মিশন নিয়ে জাতিসংঘ সহ প্রাচ্য ও প্রাচ্যত্বের বিভিন্ন দেশ সফর করে জাতি ধর্ম-নির্বিশেষে সকলকে ইসলামের সু-শীতল ছায়াতলে একত্রিত হওয়ার প্রেরনা জুগিয়েছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন হুজুর কেবলার সান্নিধ্যে গেলে যে কোন লোকের অন্তরে আল্লাহ্ ভীতি ও রাসূল প্রেম পয়দা হতো। পরে মুসলিম উম্মাহ ও সর্বমানবতার কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মুনাজাত পরিচালনা করেন আল্লামা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.)।

This entry was posted in Uncategorized, বাবা সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী. Bookmark the permalink.

No Comments