১২-২০ জুন ২০১২ ইং পর্যন্ত “সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী ক্যালিগ্রাফী ফাউন্ডেশন” এর উদ্যোগে “নলিনী কান্ত ভট্ট্রশালী গ্যালারী” জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ ঢাকায় ক্যালিগ্রাফী প্রদর্শনী হয়।

ক্যালিগ্রাফী আল্লাহর কালামের বি¯তৃত সৈৗর্ন্দয্য-
সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী

১২ জুন ২০১২ ইং মঙ্গলবার বিকাল ০৩ টায় “নলিনী কান্ত ভট্ট্রশালী গ্যালারী” জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ ঢাকায় ১২-২০ জুন ২০১২ ইং পর্যন্ত “সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী ক্যালিগ্রাফী ফাউন্ডেশন” এর উদ্যোগে ক্যালিগ্রাফী প্রদর্শনীর এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আওলাদে রাসূল (দঃ) সাজ্জাদানশীন দরবার -এ গাউছূল আজম মাইজভান্ডারী হযরতুলহাজ্ব শাহসূফী মাওলানা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল্ হোসাইনী মাইজভান্ডারী (মাঃজিঃআঃ)।

অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ও প্রধান অতিথী হিসেবে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় পরিবেশ ও বন মন্ত্রী ডঃ হাছান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি তাঁর উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন- আমি এই ক্যালিগ্রাফী ফাউন্ডেশনের উত্তোরোত্তর সাফল্য কামনা করছি পাশাপাশি আমার আন্তরিক সহযোগিতা অব্যহত থাকবে।

সম্মানিত মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিধ্যালয়ের অধ্যাপক ডঃ আ ন ম রইছউদ্দীন- ইসলামিক ষ্টাডিজ বিভাগ, ডঃ আনিসুজ্জামান – দর্শন বিভাগ, এ কে এম সাইফুল ইসলাম খান-ফারসী বিভাগ সহ শিল্পপতি, ব্যবসায়ী, শিক্ষানুরাগী, সমাজ সেবকগন।

বিশেষ অতিথীবৃন্দ আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন- পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (দঃ) উপলক্ষ্যে দরবার -এ গাউছূল আজম মাইজভান্ডারীর সংগঠন “সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী ক্যালিগ্রাফী ফাউন্ডেশন” এর উদ্যোগে আযোজিত ক্যালিগ্রাফী প্রদর্শনীর এই আয়োজন সত্যি প্রশংসনীয়।

সভাপতির বক্তব্যে ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী বলেন- দেশের তরুণ সমাজ ও শিক্ষানবিশদের মন ও প্রাণে যখন অপসংস্কৃতি আঘাত করছে তখন মাইজভান্ডারী অংগন থেকে সর্ব প্রথম এ প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনীর আয়োজন করেন শায়খুল ইসলাম, ত্বরীক্বায়ে মাইজভান্ডারীয়ার দিকপাল, আওলাদে রাসূল (দঃ), হুযুর গাউছুল আজম হযরতুল্হাজ্ব আল্লামা শাহ্সূফী সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভান্ডারী (কু.ছি.আ.)। ধর্মীয় ভাব গাম্ভির্য্যপূর্ন ইসলামী সংস্কৃতির এ আয়োজন বাস্তবিকই অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে এক নীরব বিল্পব। সুস্থ ও নৈতিক সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে তাঁর ঐ মহান কর্মসূচীর ধারাবাহিকতা বজায় রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এই ইসলামী সংস্কৃতি চর্চ্চার আয়োজন নিঃসন্দেহেই ভবিষ্যত প্রজন্মকে সুন্দর ও সার্থক জীবন গঠনে প্রেরণা যোগাবে। এ ধরণের প্রদর্শনী ইসলামী সংস্কৃতি প্রচার ও প্রসারে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে বলে আমার বিশ্বাস।

পরিশেষে বিশ্ব উম্মাহর ঐক্য, সংহতি, শান্তি, মানবতার কল্যান এবং দেশের অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্ত হয়।

This entry was posted in Uncategorized. Bookmark the permalink.

No Comments