ইমাম গাজ্জালী(রহ) ও তার জ্ঞান চর্চা

অতপর আসল জ্ঞানের প্রকৃত স্বরুপ চেতনার জন্য আমি অনেক চেস্টা সাধনা করেছি।ফলে যা বুঝেছি তা এই যে জ্ঞানের আলোকে সকল বস্তুর স্বরুপ সর্ম্পুণ সন্দেহাতিত রুপে স্বাভাবিক ভাবেই উদ্ভাসিত হয়ে উঠে এবং কোন রুপ ভূলভ্রান্তির অবকাশ থাকেনা।তাই হল প্রকৃত জ্ঞান এবং যে কোন জ্ঞান দ্বারা এমন একটি দৃঢ় বিশ্বাস ও মনোবল সৃস্টি হয় যা পথ ভ্রস্টতার সকল আসংকা থেকে মুক্ত তাই হল যর্থাথ জ্ঞান।উধহারন স্বরুপ বলা যায়,প্রস্তর খন্ডকে সচ্ছ স্বর্ন মুদ্রায় রুপান্তরিত করা সক্ষম এবং লাঠি দ্বারা সাপ তৈরী করতে সর্মথ এমন ব্যাক্তিও যদি সে বিশ্বাসকে আন্দোলিত করার প্রয়াস পায় তবুও তা অচল এবং অটল থাকবে।যেমন আমি জানি দশ তিনের অধিক।জনৈক ব্যাক্তি এসে প্রতিবাদ করে বলল “না তিন দশের অধিক।এর প্রমান স্বরুপ সে একটা রড দ্বারা একটি সাপ বানিয়ে দেখালো।আমি তার এ আলৌকিক শক্তি প্রত্যক্ষ স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করলাম।কিন্তু তার এই শক্তি আমাকে স্তম্ভিত করলেও আমার বিশ্বাসের দৃঢ়তাকে মোটেও বিচলিত করতে পারবে না এবং বিশ্বাস আমার অটল অচল থাকবে দশ তিনের অধিক।
অতপর আমি নিশ্চিত হলাম যে ,যে জ্ঞান উল্লেখিত গুনে গুনান্বিত নয়,তা র্নিভর যোগ্য নয়।কারণ যে জ্ঞান স্বয়ং দ্বিধা সন্দেহ ও ভূলের ভ্রান্তির অবকাশ মুক্ত নয়,তা দ্বারা কোন বিষয়ে সুদৃঢ় বিশ্বাস অর্জন করা হয় না।আর সে শক্তিও তার নেই।

This entry was posted in Uncategorized, লেখনী সমূহ and tagged , , , . Bookmark the permalink.

No Comments