সুলতানুল মাশায়েখ গাউছে জমান হযরত শাহবছুফী মাওলানা সৈয়দ আবুল বশর আল্‌-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভান্ডারী (কঃ)

সুলতানুল মাশায়েখ গাউছে জমান হযরত শাহবছুফী মাওলানা সৈয়দ আবুল বশর আল্‌-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভান্ডারী (কঃ)
ইসলাম হচ্ছে আল্লাহর একমাত্র মনোনীত ধর্ম। যা রাসূলে পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- ত্মে মাধ্যমে পৃথিবীতে পূর্ণতা লাভ করেছে। তাঁরই তিরোধানের পর খোলাফায়ে রাশেদীন তাবেঈন তাবে- তাবেঈন এবং পর আল্লাহর প্রিয় বন্ধু আউলিয়া এ-কেরামের মাধ্যমে বিশ্বের প্রত্যন- অঞ্চলে ইসলামের প্রচার ও প্রসার লাভ করেছে। ইসলামের এ মহান সূফী সাধক তথা আউলিয়া-এ-কেরামগণ নিষ্ঠা সহকারে ধর্মীয় অনুশাসনসমূহ পারন করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে মুসলমানদেরকে এর প্রশিক্ষণ দান করেন। তাঁরা এমন চরিত্র এবং মহা বৈশিষ্ট্যের অধিকারী, যার প্রশংসাং আল্লাহ রাব্বুল আলামীন পবিত্র কোরানে এরশাদ করেন- হে মুমিনগণ! তোমারা আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সঙ্গী হয়ে যাও”। এই উপমহাদেশের শাসকক’লের উপর দৃষ্টিপাত করলে দেখা যায়, মুহাম্মদ বিন কাসেম, সুলতান মুহাম্মদ গজনবী, মুহাম্মদ গৌরা ও মাহাম্মদ বখাতিয়ার কলজী সকলেই ছিলেন বিজয়ী বীর। ইতিহাসের বিচারে তারা কেউই ইসলাম প্রচারক ছিলেন না। যা হয়েছে তা কিন’ এ দেশের হক্কানী আলেম, সুফী, দরবেশগণের প্রচেষ্টায় তাদের অলৌকিক প্রভাবে। সাদা- সিধে জীবন যাপন ইসলামের উদারনীতে প্রচারে সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের শিক্ষায় মুগ্ধ হয়ে সত্য ও সভ্য জাতী রূপে বিশ্বব্যাপী পরিচিত হয়েছে।
বিশেষ করে সুলতানুল হিন্দ খাজা গরীবে নেওয়াজ (রাঃ) সুলতানুল আউলিয়অ হযরত শাহ্‌ জালাল ইয়ামনী (রহঃ), গাউসুল আযম হযরত শাহ্‌ছুফী মাওলানা সৈয়দ আহ্মদউল্লাহ আল-মাইজভান্ডারী (কঃ), গাউসুল আযম শাহ্‌সুফী মাওলঅনা য়ৈদ গোলামুর রহমান আল্‌-হাসানী ওয়াল হোসাইনী আল- মাইজভান্ডারী (কঃ) প্রমুখের প্রচেষ্টায় উপ-মহাদেশে ইসলামের প্রচার-প্রসার লাভ করেছে। এ-রকম একজন আওলাদে রাসূল (দঃ) সুলতানুল মাশায়েখ গাউছে জমান হযরত শাহ্‌ছুফী মাওলানা সৈয়দ আবুল বশর আল্‌-হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভান্ডারী (কঃ)’র নাম বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য।
জন্ম ও বংশ পরিচিতিঃ
১৯০৬ ইংরেজী সনের এক শুভক্ষণে পৃতিবীর পঞ্চম তীর্থ স’ান মাইজভান্ডার শরীফের সহান আধাত্ম সাধক প্রাণ পুরুষ অলিকুল শিরোমনি গাউসুল আযম হযরত মাওলানা শাহ্‌ছুফী সৈয়দ গোলামুর রহমান বাবভান্ডারী কেবলা কাবার পতিত্র ঔরশে জন্ম গ্রহণ করেন। এ নূরানী শিশুর আগহমনে আনন্দিত ও পুলকিত হয়ে সকলেই বলতে লীগল, এ শিশু মানব নয়, এ যেন নুরের পুতুল। সৃষ্টির কর্তৃত্ব নিয়েই যেন এর আগমন! কালে হয়ে ছিলোও তাই।
বাল্যকাল ও শিক্ষা জীবনঃ
শিক্ষা জীবনের প্রাথমিক স-রগুলো দরবার শরীফ থেকেই অতিক্রম করেন। পরবর্তীতে কলিকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকেত অত্যন- কৃতিত্বের সাথে সর্বোচ্চ ডিগ্রী অর্জন করেন।
কর্মময় জীবনঃ
শিক্ষা জীবন সমাপানে- তিনি স্বীয় পিতা অলিকুল শিরোনাম গাউসুল আযম বাবাভান্ডারীর পবিত্র খেদমতেই নিয়োজিত থাকতেন। বাবাভান্ডারী কেবলা কাবা (কঃ) নিজ আদরের সন-ানকে আদ্যাত্মিকতার পরম পরশে যাগ সেরা অলীরূপে গড়ে তোলেন। মহান আধ্যাত্ম সাধক বাবাভান্ডারী কেবলা কাবা বায়াতে খাছ এর মাধ্যমে তাঁকেই খিলফত দান করে ত্বরীকার মহান খিদমত আনজামের জীম্মিাদারী অর্পন করেন।
বৈবাহিক ও আধ্যাত্মিক জীবনঃ
বৈবাহিক ও আধ্যাত্মিক জীবন উভয় ছিলো চমৎকারিত্বে পরিপূর্ণ। তাঁর পারিবারিক বা সাংসারিক জীবন ছিলো হাবিবে কিবরিয়অ ছাল্লাল্লাহু ওয়াল হোসাইনী মাইজভান্ডারী কেবলার চেহারা মোবারক সুদৃশ্যতা থাকায় বাবাভান্ডারীর বেছলের পর আশেক, ভক্ত, অলিকুল তাঁর চেহারা দেখেই তৃষ্ণা মেটাতেন। গাউসুল আযম বাবাভান্ডারী কেবলা কাবার নূরানী আওলাদে পাকদের মধ্যে যোগ্যতম ও আধ্যাএকতায় সিক্ত হযরত শাহ্‌ছুফী মাওলানা সৈয়দ আবুল বশর মাইজভান্ডারী বাবাভান্ডারী কেবলা কাবার জানাজা শরীফের ইমামতি করেন।
বেছাল বা ওফাতঃ
বিশাল কর্মময় ও আধ্যাত্মিক জগতের স্বর্ণ শিখরে আরোহন পূর্বক স্রষ্টার লীলা সমাপন করে ঊনষাট বৎসর কালে ১৯৬৫ ইংরেজী সনের ১৬ই ডিসিম্বর ৩০ শে অগ্রাহয়ন মাবুদে হাকিকী তথা আল্লাহর একান- সান্নিধ্যে চলে যান।
স’লাভিসিক্ত ও আওলাদে পাকঃ
সাত শাহ্‌জাদা ও পাঁচ শাহ্‌জাদা আওলাদে পাকদের মধ্যে নৈতিকতা ও আধ্যাত্মিক মহা সমুদ্রে অবগাহনকারী মেঝ শাহ্‌জাদা বর্তমান জমানার যুগ শ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিন, শায়খুল ইসলাম ও আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের প্রেসিডেন্ট ও মাইজবান্ডারী ত্বরীকার দিক নির্দেশক সুফীকুল শিরোমণি হযরত আলহাজ্ব শাহ্‌ছুফী মাওলানা সৈয়দ মইনুদ্দিন আহম্‌দম আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী মাইজভান্ডারীর কেবলা কাবাকে তৎস’লভিসিক্ত করে যান। আল্লাহপাক রাব্বুল আলামীন মইন বাবা মাউজভান্ডারীর পদাঙ্ক অনুসরনের মাধ্যমে গাউছিুল আযম মাইজবান্ডারী কেবলা কাবার সন’ষ্টি অর্জন করার তৌফিক দান করুন। আমিন! বেহুরমতে সৈয়্যদিল মুরসালিন।

This entry was posted in Uncategorized, লেখনী সমূহ and tagged , , . Bookmark the permalink.

No Comments