Welcome to মাইজভান্ডারীদর্পন

Featured Post

হযরত শাহ্সূফী সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ক.) আজীবন মানুষকে সিরাতুল মু¯—াকিমের পথে ডেকেছেন-শরীয়তপুর বেদরগঞ্জে মাইজভাÊারী সুন্নি সম্মেলনে হযরত সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী
শরীয়তপুর বেদরগঞ্জে মাইজভাÊারী সুন্নি সম্মেলনে হযরত সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী- হযরত শাহ্সূফী সৈয়দ মইনুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ক.)আজীবন মানুষকে সিরাতুল মু¯—াকিমের পথে ডেকেছেন- শরীয়তপুর ঃ আওলাদে রাসূল সাল­াল­াহু আলাইহি ওয়াছাল­াম,মাইজভাÊার দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন হযরত শাহসূফী...
Read More ...


Comment

Comment here if you like this plugin.

Member Login

Sign Up Now!

Forgot Password !

New password will be e-mailed to you.

Powered by

গাউছুল আযম হযরত মাওলানা সৈয়দ গোলামুর রহমান বাবাভান্ডারী (কুঃ ছিঃ আঃ) মানবতার মুক্তির বার্তাবাহী আধ্যাত্মিক সম্রাট—শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ মাইজভান্ডারী

গাউছুল আযম হযরত মাওলানা সৈয়দ গোলামুর রহমান বাবাভান্ডারী (কুঃ ছিঃ আঃ) মানবতার মুক্তির বার্তাবাহী আধ্যাত্মিক সম্রাট—শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ মাইজভান্ডারী
মানবতার মুক্তি ও কল্যাণের নিমিত্তিই সকল ধর্মের আবির্ভাব হয়েছে। মানবতার বিকাশ ও সকল মানুষের মুক্তির দিশারী রূপে পৃথিবীতে যুগে যুগে অসংখ্য নবী রাসূল,অলী আওলিয়া ও সাধকগণ আবির্ভূত হয়েছিল। পৃথিবীতে পাশাপাশি সষ্টি হয়েছে অসংখ্য ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত ধর্মীয় চিন্তাবীদ ,আলেম উলামা ও মুফতি,জ্ঞানী- গুণী । সবার দ্বারা যে মানবকল্যাণ সাধিত হয়েছে তা জোর দিয়ে বলা যায় না। জ্ঞান,বিবেক বুদ্ধিকে মানুষের কাজে না লাগালে তা অর্থহীন হয়ে দাঁড়ায়। ইসলাম ধর্মের এরূপ কিছু লোক ছিল এবং হয়তো ভবিষ্যতেও থাকবে যারা কিছু ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান ও নিয়ম-কানুন মেনে চলাকেই ধর্ম বলে মনে করে। মানবতার বিকাশ,এর লালন ও উৎকর্ষতার সাধনে অনেকেই কাঙ্খিত ভূমিকা রাখতে অক্ষম বলেই অনুমতি হয়। ফলে ইসলামকে দুনিয়ার সামনে এক নিষ্ঠুর ধর্ম হিসেবে প্রকাশ করার অপচেষ্টা চলছে অথচ ইসলাম শান্তি,কল্যাণ,সৌহার্দ্য ও সমপ্রীতির ধর্ম। সলম’ ধাতু থেকে ইসলাম শব্দের উৎপত্তি। সলম’ অর্থই শান্তি। হুজুর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইনতেকালের পর যুগে যুগে যে সকল মুসলিম মনীষী,চিন্তাবীদ,আলেম-ওলামা,পীর-মাশায়েখ ও অলী -আল্লাহগণ পৃথিবীতে শান্তি কল্যাণ ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠার পক্ষে কাজ করেছন তারাই প্রকৃত মহামানব ও ধর্মের প্রকৃত ধারক ও বাহক। ইসলামসহ সকল ধর্ম,বর্ণ,জাতি ও গোষ্ঠীর তথা বিশ্ব মানবতার কল্যাণ ও মুক্তির দিশারী হিসেবে ঊনবিংশ শতাব্দীতে মাইজভান্ডার শরীফে আবির্ভূত হয়েছিলেন মানবতার মূর্ত প্রতীক মহান সাধক,গাউসুল আযম হযরত মাওলানা সৈয়দ গোলামুর রহমান বাবাভান্ডারী (কুঃ ছিঃ আঃ) । তিনি তাঁর পবিত্র আওলাদ,সম্মানিত খলিফাবৃন্দ ও হাজার হাজার ভক্ত,মুরীদ ও অনুরক্তের মধ্যেও সুমহান আদর্শ মানবতাবাদ প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিলেন। ধর্মের নামে সকল সংকীর্ণতা,নিষ্ঠুরতা,র্ববরতা,পৈশাচিকতা,হীনমন্যতা ও অমানবতার মূলে কুঠারাঘাত হেনে ধর্মের আসল ভিত প্রতিষ্ঠিত করতে তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন। পৃথিবীতে বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশে খাজা গরীবে নেওয়াজ হযরত খাজা বাবা মুঈনুদ্দীন চিশ্‌তী সঞ্জরী-আজমেরীর (রহঃ) পরপরই যাঁর দরবারের জাতি,ধর্ম,বর্ণ,গোষ্ঠী,নির্বিশেষে সকল মানুস অবারিতভাবে ঠাঁই নিয়েছেন তিনি হচ্ছেন যুগশ্রেষ্ঠ মহাসাধক,মাওলানা সৈয়দ গোলামুর রহমান বাবাভান্ডারী (কুঃ ছিঃ আঃ) ।

No Comments