Welcome to মাইজভান্ডারীদর্পন

Featured Post

সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভান্ডারী ১৭ এপ্রিল ২০১২ থেকে ২৪ এপ্রিল ২০১২ ইং পর্যন্ত দুবাইতে অনুষ্ঠিত সুফী সম্মেলনে যোগদান করেন।
দুবাইয়ে আন্জুমান আয়োজিত ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) মাহফিলে যোগদানের জন্য শাহ্সূফী সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল্-হাসানী (ম.জি.আ.) এর বাংলাদেশ ত্যাগ আন্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি ও মাইজভান্ডার দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন শাহ্সূফী মাওলানা সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ...
Read More ...


Comment

Comment here if you like this plugin.

Member Login

Sign Up Now!

Forgot Password !

New password will be e-mailed to you.

Powered by

আহলে বায়তের মর্যাদা

আহলে বায়তের মর্যাদা

নবী করিম (দঃ) এর আওলাদগণকে আহলে বায়ত রাসূল (দঃ) বলা হয়। ইসলামী দুনিয়ার আকাশে তাঁরা যেন সুউজ্জ্বল নক্ষত্ররাজি। তাঁরা সর্বস-রের মানুষের আর্দশ। ইসলামের প্রতিটি নীতিমালা বাস-বায়ন হয় তাঁদের জীবনেই। তাঁরা মানবতার মুক্তি দিশারী। তাঁদের অনুসরণই ইসলাম,তাঁদের মানবতার মুক্তির দিশারী। তাঁদের অনুসরণই ইসলাম,তাঁদের প্রতি ভালবাসাই ঈমাণ। তাঁরা নবীজীর অসীম জ্ঞানসমুদ্র থেকে জ্ঞান আহরণ করেন। নবীজীর দেখানো পথে তাঁরা জীবন পরিচালিত করেন। তাঁরা চাল- চলনে কুরআন সুন্নাহ্‌ সমুজ্জ্বল। তাই তাঁদের চরিত্র অনুপম। তাঁরা কুরআন -সুন্নাহ্‌ সমুজ্জ্বল। তাই তাঁদের অনুপম। তাঁরা কুরআন সুন্নাহর ধারক বাহক। নবুয়তের সমাপ্তির পর থেকে কিয়ামতের ধারা অব্যাহত থাকবে। কিয়ামত পর্যন- তাঁদের মাধ্যমেই ইসলাম জীবিত থাকবে। ইসলামে তাঁদের সম্মমান ও মর্যাদা সুউচ্চ। কুরআন- সুন্নাহতে তাঁদের মান- মর্যাদার প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা পোষন করা মুমিন মাত্রেই ওয়াজিব। তাঁদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা তাঁদেরকে মহব্বত করা মাইে রাসূল (দঃ) কে মহব্বত করা। আহএল বায়তে রাসূল (দঃ) ই সারা বিশ্বের আনাচে কানাচে আল্লাহর বাণী পৌঁছে দিয়েছেন,দেশ থেকে দেশান-রে ছুটে গিয়েছেন অসংখ্য মানুষকে ঈমাণের মত মহামূল্যবান নেয়ামত দান করেছেন। কুফরী- শিরকীর অন্ধকার থেকে মানব সমাজকে আল্লাহত্ম পথে নিয়ে এসেছেন। তাঁরা আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠায় জান-মাল,ধন-সম্পাদ,আওলাদ পর্যন- কোরবানী দিতে দ্বিধা করেননি। যেখানে যা প্রায়োজন সেখানে তা-ই আল্লাহর বাস-ায় কোরবানী দিয়েছে। কারবালার হৃদযবিদারক ঘটনা তার উজ্জ্বল প্রমাণ। যেখানে হযরত ইমাম হোসাইন (রাঃ) স্ব- পরিবারে শাহাদাত বরণ করেছেন। তাই মুসলমান মানেই তঁএদর নিকট ঋণী। আল্লাহ এবং রাসূলেরও নির্দেশ তাঁদেরকে মহব্বত করা,তাঁদের প্রতি সম্মান প্রদশৃন করা। আল্লাহ তায়ালার বাণীঃ
অর্থাৎ হে হাবীব (দঃ)! আপনি বলুন,আমি তোমাদের কাছে আমার দাওয়াতের জন্য (দ্বীন প্রচারের বিনিময়ে) আমার আত্নায়- স্বজনের মহব্বত ব্যতীত কোন বিছুই চাই না । শুরা,আয়াত-২৩) সআন-রিকতাপূর্ণ নিস্কলুষ ভালবাসার এই দাবী মু’মিনের উপর কেবল মাহবুবে খোদা (দঃ) এর নিকটাত্মীয়ের জন্যই রাখা হয়েছে। অত্র আয়াতে স্বয়ং আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে মুমিনদেরকে নবী করিম (দঃ) ’র আত্মীয় তথা বংশধরদের প্রতি মহব্বত প্রদর্শন করাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অতএব ঈমানদারের উপর আল্লাহ তায়ালা ও তাঁর রাসূল (দঃ) এর পরে আহএল বায়তে রাসূল (দঃ) এর প্রতি ভালবাসা প্রদর্শন করা একান- অপরিহার্য। এ আয়াতের আলোকে বিখ্যাত মুসলিম মনীষি ইমাম বদিউজ্জআমান সাইদ নুরসী (রঃ) বলেছেন- ”আল্লাহ তায়ালা ভাল করেই জানে যে,আহএল বায়তের মাধ্যমেই কিয়ামত পযৃন- মানুষ ইসলাম পাবে,তাঁদের অনুসরণের মাধ্যমেই মানুষ আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করবে। তাই পবিত্র কুরআনেই আল্লাহ তায়ালা তাঁদেতর মবব্বতকে অবধারিত করে দিয়েছেন। মূলতঃ স্বীয় স্বার্থেই মুমিনদের ঈমাণী জীবনে এটি এক অপরিহার্য কর্তব্য। আহলে বায়ত রাসূল (দঃ) সর্বদা মানবতার কল্যাণকামী,পূত পবিত্র তাঁদের ব্যক্তিসত্ত্বা,নিস্কলুষ তাঁদের জীবন চরিত। তাঁরা খোদাভীরু। তাঁরা সর্বদাই আল্লাহর নৈকট্য লাভে সচেষ্ট। তাঁরাই আল্লাহর পূন্যাত্ম বান্দা। আল্লাহ তায়ালা তাঁদের থেকে সব রকমের রাপাকী ও পঙ্কিলতা দূর করেছেন। এই মর্মে কুরআন পাকে তিনি ইরশাদ করেন-
“হে নবী পরিবারবর্গ! আল্লাহ তো তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে চান এবং তোমাদেরকে সর্বোতভাবে পবিত্র রাখতে চান। সর্বোতভাবে পবিত্র এবং আল্লাহর কাছে সর্বাধিক প্রিয়।
অত্র আয়াতে নবী করিম(দঃ) এর পরিবারবর্গের ফজিলত ও মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে। এই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা তাঁদের মর্যাদাকে সুউচ্চ করেছন এবং তাধেরকে সর্ব প্রকারের পাপ-পঙ্কিলতা থেকে মু্‌ক্ত করে পূত পবিত্র করেছেন। এ প্রসংগে একটা বিষয় লক্ষণীয়। আয়াতে বল হয়েছে- আল্লাহ তায়ালা তাঁদেরকে পবিত্র করতে ইচ্ছা করেন। বস’ত আল্লাহ তায়ালা যা ইচ্ছা তরেন বা করতে চান তা অবশ্যই করেন। যেমন- তিনি বলেছেন,“বস-ুত তাঁর সৃষ্টিকার্য এরূপ যে,যখন তিনি কোন কিছু সৃষ্টি করতে ইচ্ছা করেন,তখন তিনি তাকে বলেন হও,অমনি তা হয়ে যায়। (ইয়াসিন-৮২) অন্যত্র আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন-
হে আহরে বায়ত! আল্লাহর রহমত ও বরকতসমূহ তোমাদের প্রতিই রয়েছে। নিঃসন্দেহে তিনিই সমস- প্রশংসার মালিক এবং সম্মানের অধিকারী।
বিশুদ্ধ মত অনুসারে আহলে বায়তে রাসূল (দঃ) গণ হচ্ছেন- খাতুনে জান্নাত ফাতেমাতুজ্জাহরা (রাঃ) ও শেরে খোদা ইমাম আলী (রাঃ) দম্পতির মাধ্যমে আওলাদে রাসেূলের যে বংশ ধারা অব্যাহত থাকবে। অথ্যাৎ ইমাম হাসান,ইমাম হোসাইন ও সৈয়দা যয়নব (রাঃ) এর বংশধরগণ। কোন কোন মনীষী,নবীজীর সহদর্মিণীগণ তথা উম্মাহাতুল মু’মিনীনগণকে আহলে বায়তের অন-র্ভূক্ত বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন।
আহলে বায়তে রাসূল (দঃ) এর ফজিলত
হুজুর নবী করীম (দঃ) এর আহলে বায়ত হওয়ার গৌরব অর্জন করা মানে দুনিয়া আখিরাতে সর্বোচ্চ সম্মানের অধিকারী হওয়া। কারণ রাসূলূল্লাহ (দঃ) এর বংশধারা হচ্ছে সর্বশ্রেষ্ট ও সর্বোত্তম বংশধারা। কারণ তাঁরা সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও আল্লাহর তায়ালার প্রিয় হাবীবের (দঃ) সন-ান। তাঁদের সাথে রাসূল (দঃ)’র রক্তের সম্পর্ক। বিজ্ঞ ওলামায়ে কেরামগণ এ কথার উপর ঐক্যমত পোষণ করেছেন যে,আওলাদে রাসূল (দঃ) তথা সৈয়দজাদাগণ বংশের দিক থেকে সর্বোত্তম মানুষ। তবে শরীয়তের অন্যান্য হুকুম আহকামের ব্যাপারে তারা সাধারণ মানুষের মত। পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহতে আহলে বায়তে রাসূল (দঃ) এর প্রশংসায় অনেক প্রমাণাদি বর্ণিত হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেছেন,“(হে আহলে বায়তে রাসূল (দঃ) গণ!) আল্লাহ তায়ালা আপনাদের থেকে সকল প্রকার অপবিত্রতা দূরীভূত করতে ইচ্ছা করেছেন এবং তিনি আপনাদেরকে পূতঃ পবিত্র করবেন।”
বিজ্ঞ ওলামায়ে কেরামগণ বলেছেন,অত্র আয়াতে “আহলে বায়ত শব্দটি পরিবারের সদস্য ও বংশধরদের শামিল করে। তাই রাসূল (দঃ) সএর বিবিগণ তাঁর পরিবারের সদস্য হিসেবে আহলে বায়ত। আর তাঁর (দঃ) আত্মীয়-স্বজন বংশধর হিসেবে আহলে বায়ত।
এ প্রসঙ্গে অনেক হাদীস বর্ণিত হয়েছে। তন্মধ্যে ইমাম আহমেদ বিন হাম্বল (রাঃ) বর্ণনা করেছেন,হযরত আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন,উক্ত আয়াতটি নাযিল হয়েছে নবী করিম (দঃ),হযরত আলী (রাঃ),হযরত ফাতেমা (রাঃ),হযরত ইমাম হাসান ও ইমাম হোসাইন (রাঃ)- এর প্রসঙ্গে। অর্থাৎ আয়াতে আহলে বায়ত দ্বারা তাঁদেরকে উদ্দেশ্য করা হয়েছে। এ অভিমতের সমর্থনে আরো বিশুদ্ধ হাদীস রয়েছে। যেমনঃ একদা নবী করিম (দঃ) ত৭াদেরকে নিয়ে এক জায়গায় বসে একটি চাদর দ্বারা আবৃত হলেন এবং বললেন,“হে আল্লাহ! এরা আমার আহলে বায়ত,এা আমার প্রিয় ভাজন। তাঁদের থেকে আপনি সব প্রকারের পঙ্কিলতা দূর করুন এবং তাঁদের পূতঃ পবিত্র করুন।” অন্যত্র বর্ণিত হয়েছে যে,রাসূলুল্লাহ (দঃ) তাঁদের উপর চাদর রাখলেন এবং তাঁর হস- মোবারক তাঁদের উপর রেখে দোয়া করলেন,“হে আল্লাহ! এরা মুহাম্মদ (দঃ) এর পরিবারবর্গ। আপনার অফুরন- রহমত ও বরকতের ধারা তাঁদের প্রতি অহরহ বর্ষণ করুন। নিশ্চয় আপনি প্রশংসিত ও অতীব সম্মানিত।
যে সমস- আয়াতে করীম আহলে বায়তে রাসূল (দঃ) এর ফজিলত বর্ণনা পূর্বক অবতীর্ণ হয়েছে তন্মধ্যে নিম্ন্‌াকে্ত আয়াতটি প্রনিধানযোগ্য। মহান রাব্বুল আলামীন ইরশাদ করেছেন-
“অতঃপর হে মাহবুব! যে ব্যক্তি আপনার সাথে ঈসা (আঃ) সম্পর্কে বিতর্ক করে আপনার নিকট ওহী আমার পরও তবে তাঁদেরকে বলে দিন,এসো আমরা ডেকে নিই আমাদের পুত্রদের এবং তোমাদের পুত্রদের,আমাদের নারীদের এবং তোমাদের নারীদের এবং আমাদের নিজেদের ও তোমাদের নিজেদের। অতঃপর “মোকাবেলা” করি। তারপর মিথ্যাবাদীদের উপর আল্লাহর লানত দিই।”
তাফসীরবেত্তাহণ বলেছেন,যখন উক্ত আয়াত অবতীর্ণ হল তখন রাসূলুল্লাহ (দঃ) হযরত আলী,ফাতেমা,হাসান ও হোসাইন (রাঃ) কে ডাকলেন। অতঃপর ইমাম হোসাইন (রাঃ) কে কোলে নিলেন এবং ইমাম হাসান (রাঃ) এর হাত ধরে চলতে লাহলেন। হযরত ফাতেমা (রাঃ) তাঁর পেছনে এবং হযরত আলী (রাঃ) উভয়ের পেছনে চলতে লাগলেন। এমতাবস’ায় রাসূলুল্লাহ (দঃ) দোয়া করলেন- হে আল্লাহ! এরা আমার আহলে বায়ত।
উপরোল্লিখিত আয়াত দ্বারা একথা সুস্পষ্টভাবে প্রতিয়মান হয় যে,হযরত ফাতেমা (রাঃ) এর আওলাদগণ এবং তাঁদের বংশধরদেরকেই রাসূলুল্লাহ (দঃ) এর আহলে বায়ত বলা হয়। তাঁদের বংশীয় ধারা রাসূল (দঃ) এর দিকে বিশুদ্ধ রূপে প্রবাহিতঅ আর এহেন বংশানক্রমিক ধারা তাঁদেরকে ইহকালীন ও পরকালীন জীবনে উপকৃথ করবে।
কথিত আছে যে,একবার বাদশাহ হারুনুর রশীদ ইমাম মূসা কাজেম (রাঃ) কে জিজ্ঞাসা করলেন আপনারা কিভাবে দাবী করেন যে আপনার রাসূল (দঃ) এর বংশধর? অথচ আপনার হযরত আলীর বংশধর। কারণ বংশের ুনসবত বা সম্পর্ক হয় দাদার দিকে,নানার দিকে নয়। উত্তরে তিনি নিম্নের আয়অতটি তেলাওয়াত করলেন-
আর তার সন-ানদের মধ্য থেকে দাউদ,সোলাইমান,আইয়ুব,ইউসুফ,মূস িএবং হারুনকেও এবং আমি অনুরররূপভাবে প্রতিদান দিয়ে থাকি সৎকর্মপরায়নদের এবং যাকারিয়া,ইয়াহইয়া,ঈসা এবকং ইলিয়াসকেও। হযরত ঈসা (আঃ) এর পিতা ছিল না। এতদসত্বেও তাঁকে নবীগণের বংশধর বলে কুরআন পাকে বর্ণনা করা হয়েছে। আর তা করা হয়েছে মায়ের দিক থেকে। এভাবে আমরাও রাসূল (দঃ) এর সাথে আওলাদের সম্পর্কে সম্পৃক্ত হয়েছি আমাদের মা খাতুনে জান্নাত হযরত ফাতেমাতুজ্জহরা (রাঃ) এর মাধ্যমে। হারুনুর রশীদকে সম্বোধন করে তিনি আরো বলেন,“হে আমিরুল মুমিনীন! আপনি নিশ্চয় অবগত আছেন,যখন আয়াতে “মোকাবেলা” অবতীর্ণ হয়েছিল তখন রাসূলুল্লাহ (দঃ) কি হযরত আলী,ফাতেমা,হাসান,হোসাইন (রাঃ) ব্যতিত অন্য কাউকে ডেকে ছিলেণ?
পবিত্র কুরআনের পাশাপাশি আহলে বায়তে রাসূল (দঃ) এর ফজিলত ও বৈশিষ্ট্য বর্ণনাপূর্বক অসংখ্য হাদীস শরীফও রয়েছে। যেমনঃ হযরত আবু ইয়ালা (রাঃ),হযরত মাসলা বিনতে আকওয়া (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন,রাসূলুল্লাহ (দঃ) ইরশাত করেছেন,“তানকারাজি আসমানবাসীদেরকে নিরাপত্তা দিয়ে থাকে,আমার আহলে বায়ত আমার উম্মতদেরকে বিভেদ-বিশৃঙ্খলা থেকে নিরাপদ রাখে।”
ইমাম আহমেদ (রঃ) এর অন্য বর্ণনায় আছে,নবী করিম (দঃ) ইরশাদ করেছেন,“আমার আহলে বায়তগণ যখন নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে তখনই দুনিয়াবাসীদের নিকট ঐ সমস- বালা-মুসিবকত আসবে,যেগুলোর ব্যাপারে তাদেরকে হুঁশিয়ারি করা হয়েছিল।” ইমাম হাকেম ৯রাঃ),হযরত আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে,রাসূলুল্লাহ (দঃ) ইরশাদ করেছেন,“আাল্লাহ তায়ালা আমারআহলে বায়তের ব্যাপারে ওয়াদা দিয়েছেন যে,তারা যদি আল্লাহ তায়ালার ওয়াহদানিয়্যাত (ড়্গকেত্ববাদ) স্বীকার করে এবং আমাকে রাসূল হিসেবে মেনে নেয়,তাহলে তাঁদেরকে কোন ধরনের আজাবের সম্মুখীন হতে হবে না।”

No Comments