ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (দঃ) মিল্লাতে ইসলামিয়ার চেতনার উৎস

ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (দঃ) মিল্লাতে ইসলামিয়ার চেতনার উৎস আলহাজ্ব শাহজাদা সৈয়দ সাইফুদ্দিন আহমদ আল হাসানী

কোন বিষয়ের গুরুত্ব ও মর্যাদা উপলব্ধি করতে হলে উক্ত বিষয় সম্পর্কে চেতনা থাকা বাঞ্ছনীয়। চেতনা বিহীন কোন বিষয় অন্তঃসারশূন্য। যেমন ধরা যাক আমাদের দেশের স্বাধীনতা বিষয় সম্পর্কে চেতনা। স্বাধীনতার মর্যাদা, গুরুত্ব ও স্বাধীনতা অর্জন করতে যে অমানবিক কষ্ট এবং নির্যাতন আমাদেরকে সহ্য করতে হয়েছে সে সম্পর্কে চেতনা না থাকলে স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও প্রেরণা জাগবেনা। আর এর উৎস সম্পর্কে সু-স্পষ্ট ধারণা থাকলে চেতনা হবে অত্যন্ত প্রখর। আল্লাহপাক এরশাদ ফরমান আল্লাহর নিকট একমাত্র পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্তা হচ্ছে ইসলাম। ইসলাম ধর্মের অনুসারী গন হচ্ছেন মুসলমান। এই মুসলিম মিল্লাতের চেতনা হবে তত প্রখর ধর্ম-সম্পর্কে চেতনা হবে যত সুস্পষ্ট। প্রকৃতপক্ষে ইসলামের বাস-ব ও জীবন- রূপ হচ্ছেন আমাদের প্রিয়নবী মোহাম্মদুর রাসূলুল্লাহ (দঃ)। ধর্ম তথা কোরআন-হাদীস, নামাজ, রোযা, ধর্মের যাবতীয় বিধি-বিধান ইত্যাদির মূল হচ্ছেন আমাদের প্রিয়নবী মোহাম্মদুর রাসুলুল্লাহ (দঃ)। তিনি যদি ধরা ধামে না আসতেন, তাহলে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে কোন রূপ চিন্ত্মা চেতনার কল্পনাও করা যেতো না। নবীজির আগমন সম্পর্কে আল্লাহ পাক হাদীসে কুদসীতে ফরমান “লাওলাকা লামা খালাকতুল আফলাক”। অর্থাৎ ইয়া রাসুলুল্লাহ! আপনাকে সৃষ্টি না করলে আমি কিছুই সৃষ্টি করতাম না।
সমগ্র জাহান এবং বিশেষ করে আরব জাহান ছিল ঘোর তমসাচ্ছন্ন। জাহেরা ৫৭০ খৃষ্টাব্দের ১২ই রবিউল আউয়াল তারিখে ধরাধামে নবীজীর (দঃ) আগমনের পূর্বে সমগ্র পৃথিবীতে এক নৈরাজ্যকর অবস্থা বিরাজ করছিল। ঐতিহাসিক আমীর আলী যথার্থই বলেছেনঃ এযাবৎ রহ ঃযব যরংঃড়ৎু ড়ভ ঃযব ড়িৎষফ ধিং ঃযব হববফ ংড় মৎবধঃ, ঃযব ঃরসব ংড় ৎরঢ়ব ভড়ৎ ঃযব ধঢ়ঢ়বধৎধহপব ড়ভ ধ ফবষরাবৎবৎ. পৃথিবীর ইতিহাসে পরিত্রাণকারী আর্বিভাব এমন উপযুক্ত ও পরিপক্ক সময় আর কখনও অনুভূত হয়নি। অর্থাৎ সমগ্র বিশ্বের মানুষ একজন পরিত্রানকারীর আবির্ভাবের জন্য হাহাকার ও আর্তনাদ করছিল। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নূরে মোহাম্মদীকে (দঃ) মানব ছুরতে ৫৭০ খৃষ্টাব্দের ১২ই রবিউল আউয়াল তারিখে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ পরিত্রানকারী রুপে প্রেরণ করেন। তাই ইসলামের প্রতিটি খুটি-নাটি বিষয় তথা প্রতিটি বিধান সম্পর্কে চেতনা পাওয়ার একমাত্র উৎস হচ্ছেন হুজুর পাক (দঃ) আল্লাহ পাক বলেনঃ আল্লাহ মুসলিম মিল্লাতের উপর বড়ই মেহেরবানী করেছেন যে তাদের কাছে স্বীয় নবী মোহাম্মদুর রাসুরুল্লাহ (দঃ) কে পাঠিয়েছেন। ঈদ শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে আনন্দ। আর ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী শব্দের অর্থ নবী পাক (দঃ) এর বেলাদত উপলক্ষে আনন্দ। আমরা অনেকেই তাহকিক করিনা যে মুসলিম মিল্লাত কোন ঈদ বা আনন্দ উপভোগ করার সুযোগ পেতেন না, যদি নবীজিকে (সঃ) আল্লাহ পাক দুনিয়াতে না প্রেরণ করতেন। তাই ঈদ-ই-মিলাদুবীই হচ্ছে সর্বশ্রেষ্ট ঈদ। এই ঈদ ই মিল্লাদুন্নবী থেকেই আমরা সকল উৎসবের চেতনা খুজে পাই। আমরা নামাজ পড়ি আল্লাহ ও রাসুলের আদেশ মোতাবেক। বলতে গেলে নামাজ বা সালাতের খুটি নাটি প্রতিটি বিষয়ই হুজুর পুরনুব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসৃত সুন্নাত বা আদর্শের অনুসরন মাত্র। কাজেই নামাজের মূল প্রেরণা বা চেতনার উৎস হচ্চেন আমাদের প্রিয় নবীজি (দঃ)। এমনিভাবে রোজা, হজ্জ, যাকাত, শরীয়ত, তরিকত, হাকিকত ও মারেফাত তথা পরিপূর্ণ ইসলামের সামগ্রিক চেতনার একমাত্র উৎস হচ্ছেন হযরত আহমদ মুজতবা মোহাম্মদ মোসত্মফা (দঃ)। নবীজির তিরোধানের পর যারা পৃথিবীতে স্মরনীয় বরনীয় হয়েছেন মুসলামানদের মধ্যে, তারা তাদের রিয়াজত ও ইবাতের চেতনা পেয়েছেন নবীজির (দঃ) বাসত্মব জীবন থেকে। শুধু তাই নয়, সমগ্র বিশ্বে আল্লাহ্‌ পাক যাদেরকে নবী রাসুল হিসেবে প্রেরণ করেছেন তারাও আমাদের প্রিয় নবীর জন্ম বা আবির্ভাব সম্পর্কে সুসংবাদ দিয়ে গিয়েছেন নিজ নিজ উম্মতের কাছে। হযরত ঈসা আলাইহিস সালামের বাণী পবিত্র কোরআন শরীফে বর্ণিত হয়েছে। আমি এমন রাসুলের শুভ সংবাদদাতা, যিনি আমার পর তাশরীফ আনয়ন করবেন, যাঁরা পবিত্র নাম “আহমদ”। শিশুর জন্মের পর নাম রাখা হয়। কিন’ নবীজী পৃথিবীতে আবির্ভূত হওয়ার লক্ষ লক্ষ বছর আগে স্বয়ং আল্লাহ্‌ প্রিয় নবীর নাম রেখে দিয়েছেন। সুতরাং আমরা শুধু মিল্লাতে ইসলামীয়া ৫৭০ খৃষ্টাব্দের ১২ই রবিউল আউয়ালকে কেন্দ্র করে ঈদ ই মিলাদুন্নবী (দঃ) উদযাপন করি। কিন’ হাকিকতে লক্ষ লখ্‌ষ বছর আগ থেকে সকল নবী রাসুলগন আমাদের প্রিয়নবীর জন্মের আনন্দ করেছেন। এই কারণে আমরা বলতে পারি যে, মিলাদুন্নবী (দঃ) নবী রাসুলদের সুন্নাত। এক শ্রেণীর নামধারী আলেম এহেন মোবারক কাজকে বেদআত বলে আখ্যায়িত করতে একটু লজ্জা বোধ করে না। আল্লঅহ পাক ঘোষনা দিয়েছেন ঃ যাদেরকে আমি কিতাব দান করেছি তারা এই নবীকে (হুজুর পাকা দঃ) এমমনিভাবে চিনে, যেমনিভাবে মানুষ তার পুত্র-সনত্মানদের চিনে। এই আয়াত দ্বারা স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে যে, ঈদের আনন্দের ন্যায় নবীজির আগমান তথা জন্মের সুসংবাদ সারা বিশ্বের আকাশে বাতাসে ছড়িয়ে ছিল। তাই এই দৃষ্টিকোন থেকে আমরা বলতৈ পারি ঈদ ই মিলাদুন্নবী সমগ্র আলমের চেতনার উৎস। এহেন আনন্দ উৎসবের দিনে যাদের ভাল লাগেনা, তারা মিল্লাতে ইসলামীয়ার অনত্মর্ভুক্ত বলে বিবেচিত হতে পারে না। নবী পাক সাল।রঅল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জন্ম উপলক্ষে যে যারা বিশ্বে আনন্দের জোয়ার নেমেছিল, সে সম্পর্কে নিম্নে কিছু উদ্ধুতি প্রদান করছি। হযরত ঈসা (আঃ) বলেনঃ ডযবহ ঃযব ংঢ়রৎরঃ ড়ভ ঃৎঁঃয পড়সবং, যব রিষষ মঁরফব ুড়ঁ ঁহঃড় ধষষ ঃযব ঃৎঁঃয. এখানে ঝঢ়রৎরঃ ড়ভ ঃৎঁঃয বা সত্যেল চেতনা বল াহয়েছে আমাদের প্রিয়নবীকে। ঈসা (আঃ) বলেনঃ যখন সেই সত্যের চেতনা আসবেন তখন তিনি তোমাদেরকে সকল সত্যের দিক নির্দেশনা প্রদান করবেন। খরংঃবহ রিঃয ৎবাবৎবহপব ঃযব যধঢ়ঢ়ু হবংি ঃযধঃ ঘধৎধংযধহংধয (গঁযধসসধফ ঝস) ঝযধষষ নব চৎধরংবফ. শ্রদ্ধার সাথে শ্রমন কর শুভ সংবাদ নরশংসা (মোহাম্মদ (দঃ)) প্রশংসিত হবেন। মুসা (আঃ) বলেনঃ গঁযধসসধফ (ঝস) ড়িঁষফ মবঃ ঃযব ছঁৎধহ ধঃ ঈধাব ঐবৎধ ড়হ গড়ঁহঃ ঘঁৎ রহ গধশশধয ধহফ ঃযধঃ যব ড়িঁষফ পড়হয়ঁবৎ গধশশধয রিঃয ১০ ঃযড়ঁংহধফ ঝধরহঃষু ভড়ষষড়বিৎং. অর্থাৎ মোহাম্মদ (দঃ) যাবালে নূরের হেরা গুহায় কোরআন প্রাপ্ত হবেন মক্কায় এবং তিনি দশ হাজার সাধু উম্মত (ছাহাবী) নিয়ে মক্কা জয় করবেন। মন্ত্র নামক প্রাচীণ ধর্ম গ্রনে’ উল্লেখিত রয়েছে ঃ ঐব ংযধষষ নব ….ঃযব নবংঃ ড়ভ সবহ ধহফ মঁরফব ভড়ৎ ঃযব বহঃরৎব সধহশরহফ ধহফ ঝঢ়ৎবধফ ঢ়বধপব রহ ঃযব ড়িৎষফ. অর্থাৎ ঃ তিনিই হবেন মানবাজাতির শ্রেষ্ঠ এবং সমগ্র মানবকুলের হেদায়াত দানকারী এবং তিনিই সারা বিশ্বে শানিত্ম ছড়িয়ে দিবেন। শিখ ধর্মের প্রবর্তক শুরু নানক বলেনঃ ঙ ঢ়রড়ঁং ঢ়বড়ঢ়ষব! ৎবপরঃব ঃযব কধষবসধয ড়ভ ঃযব ঈৎবধঃড়ৎ (ও.ঈ খধ ওষধযধ ওষষধষষধয), ধফফরংম, ঃড় রঃ ঃযব হধসব ড়ভ গঁযধসসধফ) অর্থাৎঃ হে ধর্মপ্রাণ ব্যক্তিবর্গ! তোমার আল্লঅহর কালেমা তথা ‘লাইলাহা ইল্লাল্লাহু’ পাঠ কর এবং উহার সাথে মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নাম যুক্ত কর। তিনি আর ও বলেনঃ গঁংষরসং ধৎব ঝঁভভবৎরহম ভড়ৎ ফরংযড়হড়ঁৎরহম গঁযধসসধফ অর্থাৎঃ- মুসলামনরা নবীজিকে শ্রদ্ধা প্রদর্শন না করার দরুন কষ্ট ভোগ করে আসছে। বৌদ্ধ ধর্মের প্রবর্তক গৌতম বৌদ্ধের মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এলে তাঁর একনিষ্ঠ শিষ্য ও অনুরুক্ত আনন্দ কান্নায় ভেংগে পড়েন। তখন গৌতম বৌদ্ধ তাঁকে শানত্মনা প্রদান করেন এবং মহানবীর (দঃ) শুভাগমনের সুসংবাদ প্রদান করেন। তখন আনন্দ আবেদন জানান, হে গুরু! আমি সেই মহা মানবকে কি করে চিনব? গৌতম বৌদ্ধ উত্তর দেনঃ ঙ অহধহফধ! ও ধস হড়ঃ ঃযব ড়হষু হড়ৎ ঃযব ষধংঃ ইঁফফযধ যিড় ধঢ়ঢ়বধৎবফ ড়হ ঃযরং বধৎঃয, রহ ফঁব ঃরসব ধহড়ঃযবৎ ইঁফফযধ রিষষ ধঢ়ঢ়বধৎ রহ ঃযব ড়িৎষফ. ঐব রিষষ নব শহড়হি ধং গধরঃৎৎুধ. অর্থাৎঃ হে আনন্দ! আমিই একমাত্র এবং শেষ বুদ্ধ নই যিনি পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছেন। যথা সময়ে আর একজন বুদ্ধ পৃথিবীতে আগমন করবেন যার নাম হবে মৈত্র। মৈত্র মানে সমগ্র জাতির প্রতি দয়া স্বরূপ। কোরআন শরীফেও অনুরূপ বানী এসেছেঃ অর্থাৎঃ হে নবী (দঃ)! আমি সমগ্র আলমের জন্য আপনাকে রহমত স্বরূপ প্রেরণ করেছি। তাই নিঃসন্দেহে সমগ্র আলমের জন্য ঈদ ই মিলাদুন্নবী (দঃ) চেতনার উৎস; মুসলিম মিল্লাতের জন্য তো বটেই। তাই আসুন! ঈদ-ই-মিল্লাদুন্নবীর খুশির দিনে আমরা সবাই কোরআনে পাকের আদেশ তথা আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামীনের অঅদেশ পালনের মাধ্যমে আল্লাহর হাবিবের আগমনের জন্য আনন্দ ও শুকরিয়াহ্‌ আদায় করে দুনিয়া ও আখেরাতে সরফরাজী লঅভ করি। আল্লঅহ পাকের আদেশঃ অর্থাৎ হে নবী আপনি বলে দিন! তারা যেন আল্লাহর অনুগ্রহ ও রহমত প্রাপ্ত হয়ে বেশি করে আনন্দ করে। আল্লাহর হাবিবকে আমাদের নবী হিসেবে প্রাপ্তির চেয়ে বেশি অনুগ্রহ ও রহমত আর কি হতে পারে? যারা এ ব্যাপারে অজ্ঞ ও যাদের এ ব্যাপারে চেতনার উদয় হয় না তাদেরকে আল্লাহ্‌ পাক জ্ঞান লাভ করার তৌফিক দান করুন।
বিশ্ব শানিত্ম স’াপনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ) এর অবদান ও আজকের প্রেক্ষাপট।
প্রাথমকি কথাঃ
তুব কেন দূরে সরে যায় মনজিল! কেন কেদে এঠে ব্যর্থ বেদনার মনদিল তবে কি ইমান ছেয়ে গেছে কম জোরে, দুশ্চিনত্মার মেঘ নামে বান্দরে। মতিউর রহমান মল্লিক শানিত্ম, শানিত্ম, শানিত্ম! কোথায় পবো শানিত্ম! চারিদিকে হায় শুধু অশানিত্ম আর ভ্রানিত্ম। মানুষ আজ শানিত্মর নেশায় পাগলপারা মাতোয়ারা। মানবজাতি মিথ্যঅমরিচিকার পেছনে ঘুরপাক করছে। বিশ্বের কত মনীষী ও রাষ্ট্রপতি শানিত্মর গান শুনিয়েছে, পায়না খুজে শানিত্ম। মনে হয় শানিত্ম যেন গলায় রশি বেধে আত্মহুতি দিয়েছে। বিশ্ব শানিত্ম দিবসের নামে আজ কত মিছিল মিটিং ঠিক শানিত্ম তখনই তাদের সাথে করছে সিটিং। সবাইতো সখী হতে চায়, দুঃখীর কাতারে কে দাড়াতে চায়। রূপ আর ঐশ্বর্যের অভাব নেই, তবে াঅজ মনেও কারো শানিত্ম নেই। যদি আমরা শানিত্ম চাই তাহলে রাসুল (দঃ) এর স্বর্ণালী যুগের দিকের ঘিরে যেতে হবে। রাসুল সহ অনেক পরিবার ছিল, না খেয়ে ঘুমাত, কিন’ শানিত্ম বিরাজ করছিল। যখন নরলোক নরপশুদের অত্যাচারে বিলান হচ্চিল, ঠিক তখনই শানিত্মর মশাল নিয়ে টুপি টুপি পদভরে শানিত্মর ছোড়া দিতে পদার্পণ করলেন বিশ্ব শানিত্মর জনক মুহাম্মদ (দঃ)। আসুন আমরা বিভিন্ন মনীষী জ্ঞানী গুনীদের দৃষ্টিকোন থেকে বিশ্ব শানিত্ম প্রতিষ্ঠায় মুহাম্মদ (দঃ) এর অবদান আলোচনা করি। শানিত্ম সংজ্ঞা দানের মাধ্যমেই বুঝতে পারব যে, শানিত্ম বলতে কি বুঝায়। একজন কাঙ্খিত ব্যক্তি, বস’ বা বিষয় প্রাপ্তির পর সুখময় সৃতৃপ্তি অনুভূতি হলো শানিত্ম। অভাব মিটে গেলে, সমস্যঅর সমাধান মিটে গেলে, রোগ সেরে গেলে, গোলমাল মিটে গেলে, দাবি পূরন হলে শানিত্ম পাওয়া যায়। ব্যক্তি বিশেষে শানিত্মর ধরন ও বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। আমার মতে শানিত্ম হলো, ইনসাফের ভিত্তিতে একজন মানুষের চাহিদানুযায়ী তার কাঙ্খিত বস’ পাওয়ার মাধ্যমে উপভোগ করার নাম শানিত্ম। এ শানিত্মর উপকরণগুলো ব্যক্তি থেকে ব্যত্তিতে,দেশতেকে দেশানত্মরে, বিশ্ব থেকে বিশ্বের সর্বময় জনতার দুয়ারে পৌছে দেয়ার নাম হলো বিশ্বশানিত্ম। তবে, শানিত্মর আলোকপাত করতে গিয়ে আমার বিশ্বনবী শানিত্ম প্রতিষ্ঠার জনক মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ) এর একটি হাদীছ মনে মড়ে। তিনি বলেছেন “ধরনের সুখ প্রকৃত সুখ নয়, মনের সুখই হলো প্রকৃত সুখ।” জ্ঞানীর বলেছেন। ুঞযব ৎরপয ধৎব হড়ঃ ধষধিুং যধঢ়ঢ়ুচ বিশ্ব শানিত্ম প্রতিষ্ঠার জনক মুহাম্মদ (দঃ) বিশ্ব শানিত্ম ও জনগনের নিরাপত্তা, ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে যিনি মানুষকে আবদ্ধ করেছেন, তিনি হলেন তরনী কান্ডারী গণ মানুষের মুক্তিদাতা, হযরত মুহাম্মদ (দঃ)। তিনি যেখানে যে মুহর্তে যে পরিবেশে জন্ম নিলেন, সেখানের মানুষের মনে অশানিত্মর অগ্নিশীখা দাউ দাউ করে জ্বলছিল। সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ চলত ফি বছর। অকালে প্রাণ হারাত হাজার হাজার সনত্মান। কিন’, কেন এ যুদ্ধ? কেন এ নৃশংসতা? এ মানুষগুলোকি ভাল হবে না? এর কি কোন বিহীত সমাধান নেই? মহানবী (দঃ) কে দারুনভাবে অঅহত করে প্রতিবার। তাই তিনি অনেক জল্পনা কল্পনা করে বছর বয়সে আবাল বৃদ্দ বণিতাদের মতামতের ভিত্তিতে গড়লেন “হিলফ’ল ফুযুল” এর মত বলিষ্ঠ সংগঠন। নেতৃত্ব দেন তিনি? মুক্তি পেল যুদ্ধাহত মানুষ, বেঁচে গেল শিশু সনত্মান। মানুষ স্বাভাবিকভাবে বেঁচে গেলেও বা মুক্তি পেলেও চািত্িরক অধঃপতন থেকেই রেহাই পায়নি। তাই তাদের মৌলিকভাবে গঠন করার জন্য হেরা গুহায় ধ্যানমগ্নহন দয়াল নবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ)।
মহানবী (দঃ) এর ধ্যান ধারনাঃ “হিলফুল ফুযুল” সংগঠন পরিপূর্ণ স্বার্থক হলো না এজন্য যে, এটা ছিল মহানবী (দঃ) এর পরিপূর্ণও ব্যক্তিগত উদ্যেঅগ। জ্ঞান ছাড়া মানুষের জ্ঞান দিয়ে কোন কাজের সফলতার সোপানে উন্নতি হতে পারে না। তাই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ) হেরা গুহায় ধ্যান মগ্ন হয়ে মহিয়ানের দরবারের মানুষের মুক্তির জন্য মিনতি করতেন এবং অপেক্ষা করতে থাকেন অধীর আগ্রহে স্বর্গীয় প্রত্যঅদেশের জন্য। বিশ্বকবি কবিকুল সম্রাট আল্লামা ইকবাল সুন্দরভাবে বলেছেন ঃ- মহানবী (দঃ) হেরাগুহা থেকে এমন এক সমপ্রদায়ের নিকট এলেন, যে জাতি নিগৃহিত, ইসলামের আলো হতে বঞ্চিত। সাথে নিয়ে এলন মহাগ্রন’ আল কোরআন। তারপর সকল দুঃচিনত্মা ও দুর্ভাবনার অবসান ঘটল। সমাজে শানিত্মর ফোরারা বইতে লাগল কোরআনের মাধ্যমে।
বিশ্ব শানিত্ম প্রতিষ্ঠায় শিক্ষার গুরুত্বঃ
আল্লাহর রাসূল (দঃ) যখন অবহেলিত সমাজের মুক্তির জন্য হেরা গুহায় ধ্যান মগ্ন ছিলেন। ঠিক তখন মহান আরশের অধিপতি আল্লাহ তায়ালা জিব্রাইলের মাধ্যমে স্বর্গীয় বানী পাঠান, যা হলো ………… অজ্ঞাতার অন্ধাকারে নিমজ্জিত মানুষ মুক্তি দিলেন কোরআনের শিক্ষার মাধ্যমে। যদি তাদের মাঝে কোরানের শিক্ষা তাকত তাহলে তারা যুদ্দ করলে ও আগে লাভ ক্ষতি চিনত্মা করে দেখত। অন্যত্র আছে …………. বিশ্ব শানিত্ম প্রতিষ্ঠা করতে হলে মানুষের থেকে নিরক্ষতা দূর করে শিক্ষার বাহনে তুলে দিতে হবে। কারণ, জ্ঞানী হতে হলে শানিত্ম স’াপন করতে চাইলে শিক্ষার বিকল্প নেই। ধর্মীয় ক্ষেত্রে মহানবীর অবদানঃ ফলপ্রসু ইসলাম প্রচারঃ জাহেলি যুগে আরব উপদ্বীপ পৌত্তলিকতা, বস’পুজা ও ধর্মীয় কুসংস্কারে আচ্ছন্ন হয়ে গিয়েছিলেন। রিাসালতের পূর্ণ দায়িত্ব পালনে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ) এতই সফল হয়েছিলেন যে, তারাজীবদ্দশাতেই সমগ্র াঅরব উপদ্বীপে ইসাম সার্বজনীনতা লাভ করে। কোরানের ভাষায় ঘোষিত হয়…
তাওহীদের ভিত্তিতে আদশৃ সমাজ বিনির্মানঃ- মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ) সকল ধর্মীয় কুসংস্কার ও পৌত্তলিকার মূলোৎপাটন করে আল্লাহর একাত্ব বাদের ভিত্তিতে একটি আদর্শ সমাজ বিনির্মান করেন। ইসলামকে বিজয়ী আদর্শ রুপে প্রতিষ্ঠাঃ মহানবী (দঃ) এর জীবনের একমাত্র মিশনই ছিল দ্বীনকে আল্লাহর জমীনে বিজয়ী আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। এবং তিনি তা বাসত্মবে রূপ্যয়িত করলেন। মহান আল্লাহপাক রাব্বুল আলামীনের বানী-………..

সামাজিক সংস্কারঃ
সামাজিক বৈদ বৈষম্য নির্মূল করেনঃ মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ) আভিজাতের গৌরব ও বংশ মযৃঅদার মূলে কুঠারঘাত করেন। মানুষে মানুষে সকল বেধাবেধ ও অসাম্য বিদূরিত করেন। তিনি ঘোষনা করলেন সকল মানুষ সমান। মানুষের মাঝে ঐ ব্যক্তি শ্রেষ্ঠ যে, তাকওয়াবান। জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা বিধানঃ আইয়্যামে জাহেলিয়াতের যুগে মানুষের জীবন ও সম্পদের কোন নিরাপত্তা ছিলনা। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ) জীবন ও সম্পদের জন্য একটি নতুন সামাজিক নিরাপত্তা বিধান চালু করেন। সমাজের সকল মানুষ এতে উপকৃত হয়।
দাসত্ব প্রথা উচ্ছেদ করনঃ-
বিশ্বের আপরাপর দেশের আরব সমাজে ও দাসপ্রথা চালু ছিল। মহানবী (দঃ) ভাবলেন, আ্‌লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন স্বাধীণ হিসাবে। অথচ এখানে মানুষ সমাজের দূর্বল মানুষদের গোলাম বানিয়ে রেখেছে। মানুষ পন্যেরমত বাজারে বিক্রি হত। নবী করীম (দঃ) ক্রীতদাস যায়েদ বিনা হারেছাকে প্রধান সেনাপতির দাযিত্ব দিয়ে এবং বিলালকে মুয়াযযিন বানিয়ে দাসপ্রথা উচ্ছেদ করেন। তাই তিনি ঘোষন করেন……..
নারীর মযার্দা দানঃ
জাহেলী নারীদের কোন মূল্যায়ন ছিল না। তারা ছিল ভোগের সামগ্রী। কন্যা সনত্মানদের জীবিত প্রথিতকরণ মোট কথা ছিল পুরুষদের খেলনার মতো, তাইতো মহান প্রভু ঘোষনা করেন, নবী করিম বলেন- তিনি আরো বলেন, আমার াছে তিনটি জিনিস বেশি প্রিয়, একটি হরেঅ আমার স্ত্রী। মূলতঃ সেব উদ্ধৃতির মাধ্যমে রাসূল (দঃ) নারী স্বাধণিতা ও অধিকার প্রতিষ্ঠঅ করেছেন।

ইয়াতীম মিসকীণদের অীধকার প্রতিষ্ঠা করেন ঃ প্রাক ইসলামী যুগে ইয়অতীম মিসকীনদের কোন াীধকার ছিল না তিনি তাদের অীধকার প্রতিষ্ঠা করেন।
ভিক্ষাবৃত্তি মূলোচ্ছেদঃ
বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ) সকল মানুষকে স্বহসেত্ম উপার্জণ করার নির্দেশ দিয়ে ভিক্ষাবৃত্তির প্রতি নিরোৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ) আরববাসীদের নৈতিক জীবনের আমূল পরিবতৃণ সাধন করেন। মদ্যপান,জুয়াখেলা, বেহায়া পনা, ব্যভিচার, সুদ, ঘুষ, লুটতরাজ, বেপর্দা ইত্যাাদিকে কোরণাী বিধানের মাধ্যমে অবৈধ ঘোষনা করেন। ফলে শতাব্দীকাল ধরে প্রচলিত পাপাচার, অনাচার আরব সমাজ থেকে দূরীভূত হয়। তাই মাহন রবের দ্বীপ্তবানী———————
আদর্শ জাতি গঠনঃ
জাতি গঠনে মহানবী (দঃ) এর ভূমিকা অনস্বিকার্য। সর্বনিম্ন পর্যায়ে নৈতিক ও আদর্শিক ঐক্যমত প্রতিষ্ঠঅ করে আদর্শ জাতি গঠনের মত কঠিন কাজটি সম্পাদন করেন। ঐতিহাসিক হিট্রির ভাষায়ঃ ঞযরং ধিং ভরৎংঃ ধঃঃবসঢ়ঃ রহ ঃযব যরংঃড়ৎু ড়ভ অৎধনরধ ধঃ ধ ংড়পরধষ ড়ৎমধহরংধঃরড়হ রিঃয ৎধঃযবৎ ঃযধহ নষড়ড়ফ ধং রঃং নধংরং.
সুষ্ট শাসন ব্যবস’ার প্রবর্তনঃ সুষ্ঠ শাসন প্রতিষ্ঠা করেন মহানবী (দঃ) মদীনায়। এ ইসলামী রাষ্ট্র মানবজাতির ইতিহাসে সর্বোত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। আইনের চোখে মদীনা রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের সমান অধিকার ছিল।
অমুসলিমদের অধিকারঃ
রাসূল (দঃ) সামাজিকভাবে অমুসলিমদের জানা মাল, উজ্জত, অঅব্র ও ধন সম্পদের পূর্ণ সংরক্ষন করেন। মদীনা সনদ তিনি ঘোষনা করেনঃ হযরত মুহাম্মদ (দঃ) ৬২২ খ্রীঃ মক্কা হতে মদীনা হিজরত করার পর সেখানে সকল জাতির লোকদের নিয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত করেন।যা ঞযব পযধৎঃবৎ ড়ভ গবফরহধ নামে খ্যাক। অথবা, ঞযব ভরৎংঃ ৎিরঃঃবহ পড়হংঃরঃঁঃরড়হ, ড়ভ ঃযব ড়িৎষফ. বা প্রথম লিখিত সংবিধান। যার মাধ্যমে তিনি শানিত্ম স’াপন করতে সক্ষম হন। যার গুরুত্ব অপরিসীম।
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানঃ
অর্থনৈতিক সমাধান ব্যতিরেকে ইসলাম কখনো পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস’া হতে পারে না। তাই আল্লাহর হাবীব (দঃ) অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান দিয়েছেন। দুঃখী গরীবদের জন্য তিনি যাকাত ব্যবস’া চালু করেন। মওজুদ দাবীল নিষিদ্ধতা ঘোষনা করেন এবং বলেন, “যে মওজুদ করল সে গুহানগার”। সুদ প্রথা, জুয়া, লটারী রহিত করেছেন। এবং সর্বপ্রকার শোষন মূলক ব্যবস’া চিরতরে হারামকরে অর্থনৈতিক ন্যায় চিার প্রতিষ্ঠা করেছেন। আল্লা তায়ালা বলেন,
রাজনৈতিক অবদানঃ
হযরত মুহাম্মদ (দঃ) ছিলেন সর্বকালের সেরা রাষ্ট্র নায়ক, রাজনীতিবিদ ও মনীষী। তৎকালীন সময়ে আরব সমাজে রাজণেতিক অবস’া ছিল অত্যনত্ম শোচনীয়। তিনি যুদ্ধ বিগ্রহ বন্ধ করে রাজণেতিক সি’তিীল স’াপন করেন। তাইতো বলা হয়, ঐধৎধৎধঃ (ংস) রং ঃযব মৎবধঃবংঃ ঢ়ড়ষরঃরপধষ ষবধফবৎ রহ ঃযব ড়িৎষফ.
হুদাইবিয়ার সন্ধিঃ
শানিত্ম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তাঁর অপর একটি পরিকল্পনা হল, হদাইবিয়ার সন্ধি। কুরআনের ভাষায় এ চুক্তিকে “ফাহহুম মুবীন” বলা হয়েছে এীতহাসিক হিশাম বলেন, ঞযব ৎবংঁষঃ ড়ভ ঃযরং ঃৎবধঃু রং ঃযধঃ যিবৎব ধং সফ. (ঝগ) বিহঃ ভড়ৎঃয ঃড় ঐঁফরনরুধয রিঃয ড়হষু ১৪০০ সবহ. ঐব ধিং ভড়ষষড়বিফ ঃড়ি ুবধৎং ষবঃবৎ রহ ঃযব ধঃঃধবশ ধঃ সধশশধয নু ঃবহ ঃযড়ঁংবহফ. ব্যক্তিগত গুনাবলীঃ হযরত মুহাম্মদ (দঃ) ছিলেন আদর্শবান এবং নিমূল চরিত্রের অধিকারী যদি তিনি সুন্দর গুনাবলী কোমল হৃদয়ের অধিকারী না হতেন তাহলে বিশ্ব শানিত্ম প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হতো না। কুরআনের অমীয় বাণী,

মনীষীদের দৃষ্টিতে মুহাম্মদ (দঃ) উৎ. ঔড়ধফ বলেন, বি ধৎব ঃযড়ঁমযঃ ঃড় ভষু রহ ঃযব ংশু ষরশব নরৎফং ঃড় ংরিস রহ ধিঃবৎ. ইঁঃ যড় িঃড় ষরাব বি ফড়হ’ঃ শহড়.ি এর থেকে বুঝা যায়, শানিত্মময় জীবনের জন্যে হযরত মুহাম্মদ (দঃ) এর আদর্শের দিকে ফিরে যেতে হবে। ঞযব মৎবধঃ যঁহফৎবফ ঢ়ৎড়ঢ়যবঃ গ্রনে’ আছে, তিনি একজন অমুসলিম রাইটার হয়েও হযরত মুহাম্মদ (দঃ) কে একজন শ্রেষ্ঠমনীষীর সর্বাগ্রে স’ান দিয়েছেন।
শেষ কথা-

পরিশেষে আলোচনা প্রাপ্ত সীমানায় দাড়িয়ে একথাই মুখ থেকে বার বার প্রতিধ্বনিত হয়, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (দঃ) হলেন, পৃথিবীর মানুষকে শানিত্মর জয়গান শোনাতে, শানিত্মর ছোয়া ছায়া দানে একমাত্র অগ্র সেনা নায়ক। যার কাছে মানুষ এসে ব্যথাতুর হৃদয়ের প্রাণের পরশ খুজে পেত। খুজে পেত তার কাছে পরমাত্মীয়ের সন্ধান। তাইতো মানুষ সেকাল থেকে একার পর্যনত্ম এবং যতদিন মানুষ বাচবে পৃথিবী থাকবে তারই নামে দুরুদ পড়বে আর স্মরণ করবে শয়নে স্বপনে। তাইতো মহীয়ানের দ্বীপ্ত বানী মনে পড়ে এখানে।

This entry was posted in Uncategorized, লেখনী সমূহ and tagged , , . Bookmark the permalink.

No Comments